Dearness allowance

মৃত কর্মী ও পেনশনভোগীদের বকেয়া ডিএ অথবা ডিআর উত্তরাধিকারীদের দিতে নতুন নির্দেশিকা জারি নবান্নের

২৩ মার্চ জারি হওয়া এই নির্দেশিকায় ১ এপ্রিল ২০০৮ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত সময়কালের ডিএ/ডিআর বকেয়া কীভাবে মৃত কর্মীর বা পেনশনভোগীর মনোনীত ব্যক্তি বা আইনগত উত্তরাধিকারীদের হাতে পৌঁছোবে, তা স্পষ্ট করা হয়েছে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০২ এপ্রিল ২০২৬ ১৫:৪১
Share:

মৃত কর্মী ও পেনশনভোগীদের বকেয়া ডিএ এবং ডিআর সংক্রান্ত জটিলতা কাটাতে পদক্ষেপ রাজ্য সরকারের। —ফাইল চিত্র।

সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) মহার্ঘ ত্রাণ (ডিআর) বকেয়া সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের জট কাটাতে পদক্ষেপ করল রাজ্য সরকার। অর্থ দফতরের পেনশন শাখা থেকে জারি হওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে মৃত কর্মী ও পেনশনভোগীদের ক্ষেত্রে বকেয়া অর্থ প্রদান করার জন্য একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া বা ‘মেকানিজম’ ঘোষণা করা হয়েছে। ২৩ মার্চ জারি হওয়া এই নির্দেশিকায় ১ এপ্রিল ২০০৮ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত সময়কালের ডিএ/ ডিআর বকেয়া কীভাবে মৃত কর্মী বা পেনশনভোগীর মনোনীত ব্যক্তি বা আইনগত উত্তরাধিকারীদের হাতে পৌঁছোবে, তা স্পষ্ট করা হয়েছে।

Advertisement

সরকারি পর্যবেক্ষণে দেখা গিয়েছে, বকেয়া অর্থ বিতরণের সময় বহু ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্মী বা পেনশনভোগী ইতিমধ্যেই প্রয়াত হয়েছেন। সেইসব ক্ষেত্রে অর্থপ্রদানের ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি হচ্ছিল। এই সমস্যা দূর করতেই নতুন এই গাইডলাইন চালু করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, দাবি জানাতে আগ্রহীদের সাহায্যের জন্য একটি বিশেষ হেল্পলাইন নম্বর (০৩৩-২২৫৩৫৪১৭) এবং একটি ইমেল আইডি (ifms-wb@gov.in) চালু করা হয়েছে। মনোনীত ব্যক্তি বা আইনগত উত্তরাধিকারীদের নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে আবেদন করতে হবে। রাজ্যের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারির ১৮০ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট নথি ও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের বিবরণ সহ আবেদন জমা দিতে হবে। ডিএ বকেয়ার ক্ষেত্রে শেষ কর্মস্থলের দফতরে এবং ডিআর বকেয়ার ক্ষেত্রে পেনশন বিতরণকারী কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করতে হবে।

ডিআর বকেয়ার ক্ষেত্রে যদি মনোনীত ব্যক্তির নাম সংশ্লিষ্ট দফতরে নথিভুক্ত থাকে, তাহলে সেই মনোনীত ব্যক্তিকেই অর্থ প্রদান করা হবে। যদি বর্তমান পারিবারিক পেনশনভোগী ও মনোনীত ব্যক্তি একই হন, তবে সরাসরি তাঁর অ্যাকাউন্টেই অর্থ পাঠানো হবে। অন্যদিকে, যদি মনোনীত ব্যক্তির তথ্য না থাকে, তাহলে আইনগত উত্তরাধিকারীদের প্রয়োজনীয় নথি জমা দিতে হবে এবং যাচাইয়ের ভিত্তিতে অর্থ প্রদান করা হবে। ডিএ বকেয়ার ক্ষেত্রেও পৃথক নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে। ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বরের আগে যাঁরা মারা গিয়েছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দফতর ই-সার্ভিস বুক আপডেট করে ‘হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’ (এইচআরএমএস)-এর মাধ্যমে বকেয়া হিসাব করা হবে। ২০১৫ সালের পর মৃত্যুর ক্ষেত্রে, যদি ‘এইচআরএমএস’ আইডি থাকে, তাহলে অনলাইন তথ্যের ভিত্তিতে হিসাব হবে। আর ‘এইচআরএমএস’ আইডি না থাকলে পূর্ববর্তী পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে।

Advertisement

এই নির্দেশিকা কার্যকর হলে মৃত কর্মী ও পেনশনভোগীদের পরিবারগুলির দীর্ঘদিনের আর্থিক প্রাপ্য মিলবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement