Dearness Allowance

বকেয়া ডিএ-ডিআর মেটাতে তৎপর নবান্ন, সোমবারের মধ্যে এসওপি জমা দেওয়ার কড়া নির্দেশ অর্থ দফতরের

ডিএ দেওয়ার প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট দফতরগুলিকে অবিলম্বে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিয়োর (এসওপি) পাঠাতে নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য অর্থ দফতর। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এসওপি জমা না পড়ায় পুরো প্রক্রিয়াই বিলম্বিত হচ্ছে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১২ এপ্রিল ২০২৬ ১২:২৩
Share:

বকেয়া ডিএ-ডিআর মেটাতে তৎপর নবান্ন। — ফাইল চিত্র।

রাজ্যের অনুদানপ্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য সংস্থার কর্মী এবং অবসরপ্রাপ্ত পেনশনভোগীদের দীর্ঘদিনের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) ও মহার্ঘ সহায়তা (ডিআর) মেটাতে উদ্যোগী হল রাজ্য সরকার। এই প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট দফতরগুলিকে অবিলম্বে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিয়োর (এসওপি) পাঠাতে নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য অর্থ দফতর। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এসওপি জমা না পড়ায় পুরো প্রক্রিয়াই বিলম্বিত হচ্ছে।

Advertisement

গত ১ এপ্রিল অর্থ দফতরের এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, ২০০৮ সালের এপ্রিল থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়কালের বকেয়া ডিএ ও ডিআর প্রদানের জন্য প্রতিটি সংশ্লিষ্ট দফতরকে আলাদা করে এসওপি তৈরি করতে হবে। সেই অনুযায়ী নির্দেশ জারি করা হলেও এখনও পর্যন্ত একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দফতর সেই নির্দেশ মানেনি বলে অভিযোগ। ফলে বকেয়া ভাতা প্রদানের কাজ এগোচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে অর্থ দফতর নতুন করে কড়া অবস্থান নিয়েছে। সম্প্রতি জারি করা এক নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট সমস্ত দফতরকে সোমবারের মধ্যে তাদের এসওপি জমা দিতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হলে সংশ্লিষ্ট দফতরগুলির বিরুদ্ধে প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলেও ইঙ্গিত মিলেছে।

যে দফতরগুলিকে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে উচ্চশিক্ষা এবং স্কুলশিক্ষা, গণশিক্ষা সম্প্রসারণ এবং গ্রন্থাগার পরিষেবা, নগর উন্নয়ন ও পুর, সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা, পরিবহণ এবং পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতর ইত্যাদি। এই সমস্ত দফতরের অধীনেই বিপুল সংখ্যক কর্মী ও পেনশনভোগী রয়েছেন, যাঁদের বকেয়া ডিএ দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া পড়ে আছে।

Advertisement

প্রশাসনিক মহলের একাংশের মতে, এসওপি জমা পড়লেই বকেয়া ভাতা প্রদানের রূপরেখা চূড়ান্ত করা সম্ভব হবে। এর পর ধাপে ধাপে সংশ্লিষ্ট কর্মী ও পেনশনভোগীদের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে। তবে এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে কিছুটা সময় লাগবে বলেও মনে করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া ডিএ-র দাবিতে বিভিন্ন কর্মী সংগঠন আন্দোলন চালিয়ে আসছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে বকেয়া ডিএ মেটানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। সেই প্রেক্ষিতে সরকারের এই পদক্ষেপকে গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল। এখন দেখার, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দফতরগুলি এসওপি জমা দেয় কি না এবং কবে থেকে বাস্তবে বকেয়া ভাতা মেটানোর কাজ শুরু হয়।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement