TMC: ছোট পরিসরে ফের কর্মীদের সঙ্গে সংযোগ বাড়াতে সক্রিয় তৃণমূল, নেতারা বসবেন মিনি ভবনে

নেতাদের নিয়মিত সেখানে বসার সূচিও তৈরি হয়ে গিয়েছে। সোম থেকে শনি— প্রতিদিন বিভিন্ন শাখা সংগঠনের তিনজন করে নেতা মিনি তৃণমূল ভবনে বসে কর্মীদের সঙ্গে মিলিত হবেন।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২ ২১:১৪
Share:

ছোট এই তৃণমূল ভবনেই বসেই কর্মীদের সঙ্গে মিলিত হবেন নেতারা। নিজস্ব চিত্র

বড় হচ্ছে দলের দফতর। তাই তপসিয়ার তৃণমূল ভবন ভেঙে গড়ে উঠবে নতুন বাড়ি। পুরনো তৃণমূল ভবনের বিকল্প হিসেবে তৈরি করা হয়েছে নতুন ‘মিনি তৃণমূল ভবন’। যতদিন নতুন ভবনটি তৈরি হচ্ছে, ততদিন ওই ছোট কার্যালয়ে বসেই ফের কর্মীদের সঙ্গে সংযোগ বাড়ানোর কাজ করবেন তৃণমূল নেতারা। ইতিমধ্যে নেতাদের নিয়মিত সেখানে বসার সূচিও তৈরি হয়ে গিয়েছে। সোম থেকে শনি— প্রতিদিন বিভিন্ন শাখা সংগঠনের তিনজন করে নেতা মিনি তৃণমূল ভবনে বসে কর্মীদের সঙ্গে মিলিত হবেন।

Advertisement

প্রতি সোমবার সকাল ১১টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত বসবেন রাজ্যসভার সাংসদ তথা শ্রমিক সংগঠনের সর্বভারতীয় সভানেত্রী দোলা সেন। বেলা১টা থেকে তিনটে বসবেন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য, বিকেল তিনটে থেকে পাঁচটা পর্যন্ত বসবেন এসএটি সেলে দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা তথা প্রাক্তন সাংসদ তাপস মণ্ডল।

মঙ্গলবারও একই সময়সূচি মেনে বসবেন দোলা, সর্বভারতীয় মহিলা তৃণমূলের সভানেত্রী কাকলি ঘোষ দস্তিদার ও বুদ্ধিজীবী সেলের সভাপতি ওয়াইজুল হক।

Advertisement

বুধবার বসবেন শ্রমিক সংগঠনের রাজ্য সভাপতি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রাথমিক শিক্ষক সংগঠনের সভাপতি অশোক রুদ্র ও সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি হাজি নুরুল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার বসবেন ঋতব্রত, তৃণমূল নেতা রাজু ঘোষ ও অধ্যাপক সংগঠন ওয়েবকুপার কৃষ্ণকলি বসু।

Advertisement

শুক্রবার বসবেন হিন্দীভাষী সেলের সভাপতি বিধায়ক বিবেক গুপ্তা ও শিক্ষক সংগঠনের নেতা দিব্যেন্দু মুখোপাধ্যায়।

শনিবার বসবেন জয়হিন্দ বাহিনীর সভাপতি কার্তিক বন্দ্যোপাধ্যায়, বারসতের সাংসদ কাকলি ও বঙ্গজননী বাহিনীর সভানেত্রী সাংসদ মালা রায়।

কয়েক মাস আগেই পুরনো তৃণমূল ভবনটি পুরোপুরি ভেঙে ফেলা হয়েছে। আপাতত সেখানেই নতুন ভবন গড়ে উঠতে কমপক্ষে বছর দুয়েক সময় লাগবে বলেই খবর তৃণমূল সূত্রে। তাই দলীয় কর্মীদের যোগাযোগের কেন্দ্র হিসেবেই এই ‘মিনি তৃণমূল ভবন’টি কাজ করছে গত কয়েক মাস ধরে। যাঁরা দলের সর্বক্ষণের কর্মী হিসাবে তৃণমূল ভবনের অফিস সামলাতেন, তাঁদেরই দায়িত্বে এই নতুন দফতর।

ইএম বাইপাস লাগোয়া নির্মীয়মাণ মেট্রো স্টেশনের নীচেই রাস্তা ঘেঁষে তৈরি হয়েছে এই কার্যালয়। মোট তিনটি ঘর তৈরি হয়েছে ওই মিনি তৃণমূল ভবনে। এই ভবনে শীর্ষ নেতাদের বসার জন্য ছোট একটি ঘর তৈরি হয়েছে। সেখানেই বসবেন ওই নেতারা। মাঝের অংশে সাংবাদিক সম্মেলন ও ছোট মাপের বৈঠকের জন্য তুলনামূলক একটি বড় ঘর রয়েছে। সেই ঘরটির লাগোয়া একটি ‘গেস্টরুম’ও রাখা হয়েছে পিছন দিকে। কোনও বিশেষ অতিথি এলে যাতে তাঁকে বসানো যায়, সে কথা মাথায় রেখেই ঘরটি তৈরি করা হয়েছে। একেবারে পিছন দিকে রয়েছে শৌচাগার। নতুন তৃণমূল ভবন তৈরির আগেই পার্টি অফিসকে পুরোদমে সক্রিয় করতে চাইছেন তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement