Mamata Banerjee

বিধানসভায় ভাঙল পরিষদীয় দল, রাজ্যে দলীয় সব কমিটি ভেঙে দিল তৃণমূল! সংগঠন কার হাতে থাকবে, তুঙ্গে জল্পনা

রাজ্যে দলের সমস্ত কমিটি ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল তৃণমূল। দলে ভাঙন-সম্ভাবনা রুখতেই তৃণমূল নেতৃত্ব এই কৌশলী পদক্ষেপ করলেন কি না, তা নিয়ে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৩ জুন ২০২৬ ১৪:০৪
Share:

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। —ফাইল চিত্র।

রাজ্যে দলের সমস্ত কমিটি ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল তৃণমূল। দলে ভাঙন-সম্ভাবনা রুখতেই তৃণমূল নেতৃত্ব এই কৌশলী পদক্ষেপ করলেন কি না, তা নিয়ে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। কেউ কেউ মনে করছেন, নির্বাচনে দলের শোচনীয় পরাজয় এবং তার পরেই ভাঙন-সম্ভাবনার আবহে ছাত্র, যুব, শ্রমিক, মহিলা সংগঠনকে নতুন করে সাজাতে চাইছেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

Advertisement

বুধবার দুপুরে সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করে তৃণমূলের তরফে জানানো হয়, সব কিছু যত্ন সহকারে বিচার-বিবেচনা করার পর পশ্চিমবঙ্গে দলের সমস্ত কমিটি ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ওই পোস্টে লেখা হয়েছে, “সংগঠনের প্রতিটি স্তরে দল নিবিড় পর্যালোচনা, সাংগঠনিক মূল্যায়নের পথে হাঁটবে। তার ভিত্তিতে সাংগঠনিক কাঠামো নতুন করে সাজানো হবে এবং পরবর্তী প্রক্রিয়া জানানো হবে।”

বুধবার বহিষ্কৃত তৃণমূল বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসাবে চেয়ে বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বসুকে চিঠি দিলেন দলের বিদ্রোহীরা। ঋতব্রত ছাড়া ওই চিঠিতে ৫৮ জন বিধায়কের সই রয়েছে। সেখানে শুধু বিরোধী দলনেতা নন, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় কারা তৃণমূলের উপদলনেতা হবেন, তা-ও উল্লেখ করা হয়েছে। আর এক বহিষ্কৃত বিধায়ক সন্দীপন সাহা, জাভেদ খান এবং শিউলি সাহার নাম উপদলনেতা হিসাবে প্রস্তাব করা হয়েছে। মুখ্য সচেতক হিসাবে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে আখরুজ্জামানের নাম। সেই চিঠি গ্রহণ করেছেন বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বসু। উল্লেখ্য, তৃণমূলের বিদ্রোহী বিধায়কদের জমা দেওয়া সেই চিঠিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই সভানেত্রী হিসাবে উল্লেখ করেছেন।

Advertisement

(সবিস্তার আসছে)

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement