TMC

মুখ্যমন্ত্রীর নামে কুৎসা রটালে ‘হাত চালানো’র হুমকি! সমাজমাধ্যমে বিতর্কিত পোস্ট করে বিপাকে তৃণমূল নেতা

সমাজমাধ্যমে পোস্টটি নিয়ে ইতিমধ্যেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে। শাসকদলের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন বিরোধীরাও।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৭ জুন ২০২৫ ২৩:১২
Share:

হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠল শাসকদলেরই এক নেতার বিরুদ্ধে। —প্রতীকী চিত্র।

সমাজমাধ্যমে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠল শাসকদলেরই এক নেতার বিরুদ্ধে! সেই নেতা পূর্ব বর্ধমানের কালনা-২ ব্লকের তৃণমূল সভাপতি প্রণব রায়। সমাজমাধ্যমে তাঁর পোস্টটি নিয়ে ইতিমধ্যেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে। শাসকদলের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন বিরোধীরাও।

Advertisement

প্রণব সমাজমাধ্যমে একটি পোস্টে লিখেছিলেন, ‘মাতৃতুল্য মমতা বন্দ‍্যোপাধ‍্যায়ের বিরুদ্ধে যে ব্যক্তিরা কুৎসা করছেন, তাঁদের সামাজিক ভাবে বয়কট করতে হবে। প্রয়োজনে হাত চালানোও যেতে পারে।’ কার্যত বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের উপর হাত চালানোর নিদান দিয়েছেন প্রণব। ওই পোস্টের পরেই শুরু হয় বিতর্ক।

কংগ্রেস নেতা গৌরব সমাদ্দার বলেন, ‘‘উনি রীতিমতো বিরোধীদের মুখ বন্ধ রাখার নিদান দিয়েছেন। প্রণব রায় শাসকদলের একজন ব্লক সভাপতি। অথচ তিনি সমাজমাধ্যমে এমন হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন। প্রশাসনের উচিত তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া।’’

Advertisement

জেলা বিজেপি যুব মোর্চার সাধারণ সম্পাদক দেবজ্যোতি সিংহরায়ও কটাক্ষ করে বলেন, ‘‘এ তো অনুব্রত মণ্ডলই দেখিয়ে দিয়েছেন! পুলিশকে কুৎসিত ভাষায় গালিগালাজ করার পরেও তাঁর বিরুদ্ধে পুলিশ-প্রশাসন কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। অর্থাৎ শাসকদলের জন্য ছাড় রয়েছে। বিরোধীরা কিছু বললে তাঁদের বিরুদ্ধে পুলিশ-প্রশাসন খুব সক্রিয়। তাঁদের গ্রেফতার করা হয়। আসলে তৃণমূল নেতারা এই ভাবে সামাজিক বৈষম্য সৃষ্টি করতে চাইছেন।’’

তবে বিতর্কের পরেও আত্মপক্ষ সমর্থন করেছেন প্রণব। তাঁর কথায়, ‘‘কেউ যদি আমার মাকে কুৎসিত ভাষায় আক্রমণ করে, তাকে কি আমি রসগোল্লা খাওয়াব? যারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এ ধরনের আক্রমণ করছে, তাদের বিরুদ্ধে বলেছি।’’ প্রণবের সমর্থনে দাঁড়িয়েছেন রাজ্য এসটি সেলের চেয়ারম্যান দেবু টুডুও। তিনি বলেন, ‘‘বাংলার মানুষ এখন ক্ষুব্ধ। তারাও এই সব লোকের বিরুদ্ধে সরব হবে।’’

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement