Gyanesh Kumar

জ্ঞানেশ-অপসারণ প্রস্তাব আনা পিছিয়ে দিল তৃণমূল

গত কাল জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলে তৃণমূলের লোকসভার নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বুঝিয়ে দেন, দল আগামী দিনে ওই প্রস্তাব আনতে চলেছে। গোড়ায় তৃণমূল ঠিক করেছিল, মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে অপসারণের প্রস্তাব আনা হবে রাজ্যসভায়।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৮:৪৪
Share:

জ্ঞানেশ কুমার। —ফাইল চিত্র।

বাজেট অধিবেশনের প্রথম পর্ব শেষ হতে আর মাত্র দু’দিন বাকি। তাই এ যাত্রায় মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে অপসারণ (ইমপিচমেন্ট)-এর প্রস্তাব আনছেন না তৃণমূল নেতৃত্ব। দলীয় সূত্রের মতে, বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্বেই বিষয়টি নিয়ে ফের তৎপর হবে দল। বিজেপির পাল্টা কটাক্ষ, এ হল চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হওয়ার আগে চাপ তৈরির কৌশল। কারণ তৃণমূল নেতৃত্ব জানেন, এতে লাভের লাভ কিছুই হওয়ার নেই।

গত কাল জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলে তৃণমূলের লোকসভার নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বুঝিয়ে দেন, দল আগামী দিনে ওই প্রস্তাব আনতে চলেছে। গোড়ায় তৃণমূল ঠিক করেছিল, মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে অপসারণের প্রস্তাব আনা হবে রাজ্যসভায়। সে ক্ষেত্রে ৫০ জন সাংসদের সমর্থন প্রয়োজন ছিল। কিন্তু কংগ্রেস দূরত্ব তৈরি করায় রাজ্যসভায় ৫০ জন সাংসদের সমর্থন জোগাড় করা কিছুটা সমস্যার বলেই মনে করছেন তৃণমূল নেতৃত্ব। তাই বিকল্প রণনীতি হিসাবে লোকসভায় ওই প্রস্তাব জমা দিতে চাইছে তৃণমূল। সে ক্ষেত্রে ১০০ জন সাংসদদের সইয়ের প্রয়োজন রয়েছে। তৃণমূলের এক সাংসদের দাবি, ‘‘এসপি, ডিএমকে ও তৃণমূল— এই তিন দল ও কিছু ছোট দলের সমর্থন পেলেই প্রয়োজনীয় সমর্থন জোগাড় হয়ে যাবে।’’ এখনও লোকসভায় সই সংগ্রহ অভিযানে নামেনি তৃণমূল। এ দফায় হাতে যেহেতু মাত্র দু’দিন, তাই অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্বে তদ্বির করার কথা ভাবা হয়েছে।

সংসদের দ্বিতীয় পর্ব শুরু হচ্ছে ৯ মার্চ। চলবে ২ এপ্রিল পর্যন্ত। দ্বিতীয় পর্বের অধিবেশন যখন শুরু হবে, তত দিনে রাজ্যে বিধানসভা ভোটের দিনক্ষণও ঘোষণা হয়ে যাবে। ফলে অধিকাংশ লোকসভার সাংসদই ভোটের প্রচারে ব্যস্ত থাকবেন। আজ তৃণমূলের এক শীর্ষ নেতা বলেন, ‘‘আগামী পর্বে দুই কক্ষ মিলিয়ে খুব বেশি হলে চার থেকে ছয় জন সাংসদ ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে আসবেন।’’ ফলে সেই সময়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে অপসারণের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কতটা আন্তরিক ভাবে তৃণমূল নেতৃত্ব এগোবেন তা নিয়েও সংশয় তৈরি হয়েছে। বঙ্গ বিজেপির এক সাংসদের কটাক্ষ, ‘‘এ হল চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হওয়ার আগে কমিশনকে চাপে রাখার চেষ্টা। কংগ্রেস পাশে না থাকলে তৃণমূলের পক্ষে লোকসভায় ১০০টি সই জোগাড় অসম্ভব হয়ে পড়বে। আর দ্বিতীয়ত যদি বা সই জোগাড় হয়, তা হলেও তৃণমূল জানে তাদের হার নিশ্চিত।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন