—প্রতীকী চিত্র।
সারা দেশেই এলপিজি জ্বালানির সঙ্কট চলছে। এই পরিস্থিতিতে আশঙ্কায় আছে রাজ্যের কারা দফতরও। সূত্রের খবর, সংশোধনাগারগুলিতে নিত্যদিনের খাবারের জোগান দিতে একাধিক সিলিন্ডার প্রয়োজন হয়। বড় মাপের কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারগুলিতে সিলিন্ডারের চাহিদা আরও বেশি। সেই চাহিদা সঙ্কটকালে কী ভাবে মিটবে, তা নিয়ে চিন্তার মেঘ দানা বাঁধছে।
কারা দফতরের এক কর্তা জানান, প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে প্রায় দেড় হাজার বন্দি আছেন। দু’বেলা রান্না করলে দিনে তিন হাজার লোকের রান্না হয়। দমদম কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে প্রায় সাড়ে তিন হাজার বন্দি আছেন। দিনে অন্তত দু’বেলা রান্না করতে হলেও দৈনিক সাত হাজার লোকের রান্না করতে হয়। এই পরিমাণ রান্না করতে প্রচুর গ্যাস সিলিন্ডার প্রয়োজন। কারা দফতরের একাংশ বলছে, প্রয়োজনে খাবারের দোকান বা রেস্তরাঁ মেনুতে ছাঁটকাট করতে পারে। অন্যান্য প্রতিষ্ঠানও খাদ্যতালিকায় বদল আনতে পারে। কিন্তু সংশোধনাগারে তা করা সম্ভব নয়। বন্দিদের পর্যাপ্ত খাবার না দিলে তা নিয়ে মানবাধিকার ভঙ্গের অভিযোগ উঠতে পারে। তাই গ্যাস সিলিন্ডারের পর্যাপ্ত সরবরাহ না রাখলে সমস্যা হতে পারে। কারা দফতরের এক পদস্থ কর্তার মন্তব্য, ‘‘এটুকু বলতে পারি যে এখনও সমস্যা তৈরি হয়নি।’’
কারা দফতরের অফিসারদের একাংশ অবশ্য বলছেন, এই সঙ্কট চলতে থাকলে পরিস্থিতি কী হবে, তা নিয়ে চিন্তা থাকছেই। দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি সংশোধনাগারে যেমন চলতি সপ্তাহেই গ্যাসের গাড়ি ঢুকেছে। সেই সিলিন্ডার থাকায় আপাতত ক’দিন চালিয়ে নেওয়া যাবে। কিন্তু এর পরের দফায় যদি গাড়ি না-ঢোকে তা হলেই মুশকিল হবে। তবে কারাকর্তাদের একাংশের দাবি, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ইতিমধ্যেই জ্বালানি সংস্থাগুলির সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। জরুরি পরিষেবা হিসেবে যাতে সংশোধনাগারে গ্যাস সিলিন্ডারের সরবরাহ ঠিক থাকে, সেই অনুরোধও করা হয়েছে।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে