West Bengal BJP

রথ-যাত্রা, মোদীকে নিয়ে ব্রিগেডের পরিকল্পনা বিজেপির

রাজ্য জুড়ে বিজেপির ১১টি সাংগঠনিক বিভাগের মধ্যে কলকাতা মহানগর বিভাগ বাদ দিয়ে বাকিগুলিতে ‘পরিবর্তন যাত্রা’ নাম দিয়ে রথ-যাত্রা হতে পারে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৯:১৪
Share:

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

সব ঠিক থাকলে ভোটমুখী পশ্চিমবঙ্গে ১৫ মার্চ ব্রিগেড ময়দানে সমাবেশ করতে পারে রাজ্য বিজেপি। দলীয় সূত্রে খবর, সেখানে আসতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তার আগেই রাজ্যের নানা প্রান্তে ১০টি রথ-যাত্রার মাধ্যমে ‘পরিবর্তনে’র বার্তা দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে দলের। সূত্রের খবর, ভোটের প্রচার-কৌশলের রূপরেখা ঠিক করতে শনিবার বিধাননগরে বিজেপির রাজ্য দফতরে বৈঠকে রথ-যাত্রার বিষয়ে প্রাথমিক কথাবার্তা হয়েছে। বৈঠকে ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা রাজ্য বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক ভূপেন্দ্র যাদব, সহ-পর্যবেক্ষক বিপ্লব দেব, দলের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তবে এই সব কর্মসূচি নিয়ে এখনও চূড়ান্ত ভাবে কিছু জানায়নি বিজেপি।

রাজ্য জুড়ে বিজেপির ১১টি সাংগঠনিক বিভাগের মধ্যে কলকাতা মহানগর বিভাগ বাদ দিয়ে বাকিগুলিতে ‘পরিবর্তন যাত্রা’ নাম দিয়ে রথ-যাত্রা হতে পারে। প্রতিটি বিভাগের রথ-যাত্রা সংশ্লিষ্ট বিভাগেই শেষ হতে পারে। সব শেষে ১৫ মার্চ হতে পারে ব্রিগেড সমাবেশ। প্রসঙ্গত, জেলায় জেলায় বিজেপি ‘পরিবর্তন সঙ্কল্প যাত্রা’ করছে। প্রধানমন্ত্রীও রাজ্যে ইতিমধ্যে ৬টি ‘পরিবর্তন সঙ্কল্প সভা’ করেছেন। তবে রাজ্যে বিজেপির রথ-যাত্রা নতুন নয়। ২০২১-এর ভোটের আগেও পাঁচটি সাংগঠনিক জ়োনে এমন কর্মসূচি হয়েছিল।

বিজেপি সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় ভাবে বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সুনীল বনসল ও ভূপেন্দ্র এ বারের রথ-যাত্রার দায়িত্বে থাকবেন। এর অধীনে ১০ জন নেতার দায়িত্ব থাকবে সংশ্লিষ্ট বিভাগের রথ-যাত্রাগুলি পরিচালনার। এই ১০ জন নেতার মধ্যে থাকতে পারেন সভাপতি, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, সাধারণ সম্পাদকেরা। বিজেপি সূত্রের খবর, একটি হুড খোলা বাসকে রথের আদলে সাজানো হবে। তার পিছনে থাকবে ১০টি সুসজ্জিত গাড়ির কনভয়। তারও পিছনে থাকবে মোটরবাইক এবং পদযাত্রা। যদিও রাজ্য বিজেপির প্রধান মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেছেন, “কোনও স্তরে প্রাথমিক আলোচনা হয়ে থাকতে পারে। তবে এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে এখনও কিছু জানি না।”

পাশাপাশি, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় ‘লক্ষ্যবস্তু’ করা বা ভিন্-রাজ্যে বাংলাভাষী পরিযায়ী শ্রমিকদের ‘হেনস্থা’র মতো অভিযোগকে সামনে রেখে বিজেপির বিরুদ্ধে সংখ্যালঘু-বিরোধী প্রচারে শাণ দিয়ে চলেছে তৃণমূল-সহ অন্যেরা। এই আবহে সংখ্যালঘু-প্রশ্নে তৃণমূলকে পাল্টা নিশানা করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক। বড়বাজারে রাজ্য বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার রাজ্য সম্মেলনে যোগ দিয়ে শমীক এ দিন বলেছেন, “পশ্চিমবঙ্গের যে সংখ্যালঘু ভাইয়েরা বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলিতে কাজ করতে গিয়েছেন, তাঁরা কি বলেছেন যে, তাঁদের কেউ বিরক্ত করেছেন? পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল আমলে সংখ্যালঘুদের অবস্থা সব থেকে খারাপ। বগটুই-সহ সর্বত্র মারছে মুসলমান, মরছে মুসলমান।” এর সঙ্গেই সংখ্যালঘু প্রশ্নে দলের অবস্থান স্পষ্ট করতে গিয়ে শমীক ফের বলেছেন, “কারও উপাসনা পদ্ধতি আলাদা বলে তাঁদের ডিএনএ আলাদা হতে পারে না। তাঁরাও পূর্বপুরুষকে অস্বীকার করতে পারেন না। ভারতে বসবাসকারী সকলেই ভারতীয়।”

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন