Cycles

সাইকেল চলায় সায় রাজ্যের

রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকের পরে নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘কিছু মানুষের অসুবিধা হচ্ছে। তাই কলকাতার পুলিশ কমিশনারকে আমরা বলেছি, যত দিন এই পরিস্থিতি থাকবে, তত দিন বড় রাস্তা বাদ দিয়ে মাঝারি রাস্তা এবং ছোট রাস্তায় যেখানে সাইকেল চলাচল করতে পারে

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৯ জুন ২০২০ ০৫:০৬
Share:

শহরের রাস্তায় সাইকেল চালিয়ে অফিসের পথে। ছবি: পিটিআই।

লোকাল ট্রেন ও মেট্রো বন্ধ। প্রয়োজনের তুলনায় বেসরকারি বাসও অনেক কম। এই অবস্থায় সোমবার থেকে প্রায় ৭০ শতাংশ কর্মী নিয়ে চালু হল সরকারি অফিস। পাশাপাশি লকডাউন পর্ব কাটিয়ে অনেকটাই ছন্দে ফিরল জনজীবন। কিন্তু গণপরিবহণের অভাবে স্বাভাবিক ভাবেই পথে বেরিয়ে ভোগান্তির শিকার আমজনতা। তাঁদের খানিক সুরাহা দিতে কলকাতা শহর এবং লাগোয়া অন্যান্য কমিশনারেটে সাইকেল নিয়ে যাতায়াতের অনুমতি দিল রাজ্য সরকার।

Advertisement

সোমবার এই খবর জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, সাইকেল চালানোর ফলে দুর্ঘটনা যাতে না ঘটে, তা নিশ্চিত করতে বিকল্প রাস্তাগুলি চিহ্নিত করবে পুলিশ। তারাই নির্দেশিকা প্রকাশ করবে।

এ দিন রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকের পরে নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘কিছু মানুষের অসুবিধা হচ্ছে। তাই কলকাতার পুলিশ কমিশনারকে আমরা বলেছি, যত দিন এই পরিস্থিতি থাকবে, তত দিন বড় রাস্তা বাদ দিয়ে মাঝারি রাস্তা এবং ছোট রাস্তায় যেখানে সাইকেল চলাচল করতে পারে, সেখানে অনুমতি দিয়ে নির্দেশিকা প্রকাশ করতে। দুর্ঘটনা যাতে না-বাড়ে, তার দিকে নজর রাখতে হবে। যাঁর সাইকেল আছে, তিনি অফিসেও সাইকেল চালিয়ে যেতে পারেন। পুলিশই রাস্তা চিহ্নিত করুক— কোন কোন রাস্তায় এই অনুমতি দিলে অসুবিধা হবে না।’’

Advertisement

মুখ্যমন্ত্রী জানান, সাইকেল চলাচলে আপাতত ছাড় দেওয়া হলেও প্রত্যেককে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। তাঁর কথায়, ‘‘কর্মস্থলে দেরিতে পৌঁছলে সমস্যা হবে না। কিন্তু জীবনের দাম অনেক বেশি। ফলে যথাযথ সাবধানতা নিয়ে চলাফেরা করতে হবে।’’

সোমবার থেকে কন্টেনমেন্ট (এ শ্রেণিভুক্ত) এলাকা ছাড়া রাজ্যের অন্যত্র গতিবিধির উপর নিয়ন্ত্রণ নেই। কিন্তু গণপরিবহণ ব্যবস্থা লকডাউন-পূর্ববর্তী সময়ের মতো স্বাভাবিক হয়নি। যদিও সরকারের দাবি, এ দিন প্রায় পাঁচ হাজার বাস চলেছে। চলেছে মিনিবাস, ট্যাক্সি, অটোও। তবু সাইকেলকে ছাড় দেওয়ায় সাধারণ মানুষ বেশ খানিকটা স্বস্তি পাবেন বলেই সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement