—প্রতীকী চিত্র।
প্রশাসনের নির্দেশে প্রায় তিন বছর পরে, হাওড়া জেলা পরিষদের একটি আসনে জয়ী ঘোষণা করা হল সে সময়ে পরাজিত প্রার্থীকে। সেই হিসাবে ৪২ আসনের ওই জেলা পরিষদে একটি আসনে প্রতিনিধি হল রাজ্যের নব্য শাসক দল বিজেপির। তবে ওই আসনের বর্তমান অধিকারী ঝুমঝুম নস্কর সদ্য মেটা বিধানসভা ভোটের আগে পা বাড়িয়েছিলেন তৃণমূলে। নিজেকে সাঁকরাইল আসনে তৃণমূল প্রার্থী বলে দাবি করে মনোনয়নও জমা করেন। পরে যদিও তা খারিজ হয়।
ঝুমঝুম শুক্রবার বলেন, ‘‘ওটা সাময়িক উত্তেজনার বশে করে ফেলেছিলাম। তবে জানতাম, মনোনয়ন বাতিল হবে।’’ তাঁর কথায়, ‘‘আদালতের নির্দেশে জেলা পরিষদের আসনে জিতে আমি খুশি।’’
২০২৩ সালে পঞ্চায়েত ভোটে হাওড়া জেলা পরিষদে ৪২টি আসনেই জিতেছিল তৃণমূল। তফসিলি মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসনে তৃণমূলের টিকিটে জেতেন অপর্ণা বর। তফসিলি না হলেও, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময়ে তিনি ভুয়ো জাতিগত শংসাপত্র জমা দেন, এমনই অভিযোগ। ভোটের ফল প্রকাশের পরে ঝুমঝুম আদালতে মামলা করেন। সেই মামলায় মাস চারেক আগে হাওড়া জেলা আদালত তাঁকে জেলা পরিষদের সদস্য হিসেবে শংসাপত্র দিতে নির্দেশ দেয় জেলা প্রশাসনকে। বৃহস্পতিবার সেই শংসাপত্রহাতে এসেছে।
দেরির কারণ কী? জেলা প্রশাসনের এক কর্তা বলেন, ‘‘ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড়সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়া এবং তার পরে ভোটের নানা কাজ থাকায় ওই বিষয়ে নজর দিতে পারেননি আধিকারিকেরা। ভোট মিটতেই আদালতের নির্দেশ মেনে শংসাপত্র দেওয়া হল।’’ বিজেপির হাওড়া জেলা সদর সভাপতি গৌরাঙ্গ ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘ঝুমঝুমের যা অভিযোগ ছিল, সে কথা প্রমাণিত হল। এটা বিজেপি পরিচালিত সরকারের স্বচ্ছ প্রশাসনের নমুনা।’’
অপর্ণা মন্তব্য করতে চাননি। তবে সাঁকরাইল বিধানসভার তৃণমূল সভাপতি অমৃত বসু বলেন, ‘‘একটা আইনি লড়াই চলছিল। নিম্ন আদালত রায় দিয়েছে। এখনও হাই কোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টের দরজা খোলা আছে।’’
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে