দাম বাড়তেই পাতে নেই ডিম

শীত পড়তেই ডিমের দাম চড়া। আর এতেই আইসিডিএস কেন্দ্রগুলির মেনুর তালিকা থে‌কে বিদায় নিয়েছে ডিম। সরকার আইসিডিএস কেন্দ্রে ডিম প্রতি বরাদ্দ করে চার টাকা।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৫ জানুয়ারি ২০১৬ ০১:৩৫
Share:

শীত পড়তেই ডিমের দাম চড়া। আর এতেই আইসিডিএস কেন্দ্রগুলির মেনুর তালিকা থে‌কে বিদায় নিয়েছে ডিম। সরকার আইসিডিএস কেন্দ্রে ডিম প্রতি বরাদ্দ করে চার টাকা। কিন্তু শীত একটু জাঁকিয়ে পড়তেই হু হু করে বেড়েছে ডিমের চাহিদা। আর এতেই ডিমের বাজার চড়া। বাজারে একটি ডিম বিকোচ্ছে সাড়ে চার টাকা করে। ফলে আইসিডিএস কেন্দ্রগুলিতে শিশুদের পাতে ডিম পড়ছে না। অথচ, সুষম খাদ্য হিসেবে শিশুদের পাতে নিয়ম করে ডিম দেওয়ার কথা।

Advertisement

মুর্শিদাবাদের বেশিরভাগ আইসিডিএস কর্মীদের দাবি, গরম কালে ডিমের দাম কমলে, বরাদ্দের টাকাও কমে। কিন্তু ‌এখন দাম বাড়লেও সর্বোচ্চ বরাদ্দ সেই চার টাকাই রয়েছে। ডোমকলের এক আইসিডিএস কর্মী জানালেন, ১ জানুয়ারি থেকে তাঁদের কেন্দ্রে ডিম রান্না হচ্ছে না। এর ফলে শিশুদের আইসিডিএস কেন্দ্রে যাওয়ার প্রবণতা কমতির মুখে। ডোমকলের এক অভিভাবক জানাচ্ছেন, আইসিডিএস কেন্দ্রের খাবারের মান এমনিতেই খারাপ। সব্জি সে ভাবে সেদ্ধ হয় না। শিশুরা ডিমটাই কোনওরকমে মুখে তুলত। এ বার সরকারি বরাদ্দের ফাঁসে সেই ডিমও মেনু তালিকা থেকে বাদ চলে যাওয়ায় শিশুরা আইসিডিএস কেন্দ্রমুখী হতে চাইছে না। এই সব অভিযোগ অবশ্য মানছেন আইসিডিএস কর্মীরা। তাঁদের বক্তব্য, ‘‘একটি শিশুর জন্য ৬০ গ্রাম চাল ও ১৮ গ্রাম ডালের বরাদ্দ হয়। আর সব্জির জন্য বরাদ্দ সাকুল্যে ৪১ পয়সা। ওই টাকায় কী ভাবে বাজারের সতেজ মরসুমি সব্জি কেনা সম্ভব!’’ পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য আইসিডিএস কর্মী সমিতির সদস্যা আসুরা খাতুন। তিনি বলেন, ‘‘শীত বাড়তেই ডিমের দাম বেড়েছে, আমরা বিষয়টি ব্লক স্তরের আইসিডিএস আধিকারিককে জানিয়েছিলাম। কিন্তু কোনও ফল হয়নি। ফলে বাধ্য হয়েই মেনু থেকে ডিম ছাঁটা হয়েছে। তবে দাম কমলেই আবার তা চালু করা হবে।’’ ডোমকলের বিডিও শোয়াং গ্যাটসো ভুটিয়া জানান, সমস্যাটা গোটা রাজ্যের। তবে ডোমকলের আইসিডিএস কর্মীরা বিষয়টি তাঁকে লিখিত ভাবে জানিয়েছেন। সিডিপিও বিষয়টি দেখছেন। আশা করছি, খুব দ্রুত খাদ্য তালিকায় আবার ডিম ঢুকবে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement