বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহের আজ, মঙ্গলবার সভা রয়েছে বর্ধমানে। তার আগে জেলায় তাদের কর্মী-সমর্থকদের মারধর করে তৃণমূল ‘সন্ত্রাসের পরিবেশ’ তৈরি করছে বলে অভিযোগ তুললেন বিজেপি নেতৃত্ব।
রবিবার গলসির অমরপুরে তৃণমূলের মিছিল থেকে স্থানীয় বিজেপি কর্মী ভৈরব বাগদিকে মারধর করা হয় ও তাঁর বাড়ি ভাঙচুর হয় বলে অভিযোগ। ১৫ জানুয়ারি ওই গ্রামেরই তিন বিজেপি সমর্থককে মারধরের অভিযোগ উঠেছিল শাসক দলের বিরুদ্ধে। বিজেপির দাবি, ১৭ জানুয়ারি গ্রামে গিয়ে মার খান দলের গলসি ১ ব্লক সভাপতি বিমানচন্দ্র রায়।
বিজেপি নেতাদের দাবি, গত কয়েক দিন ধরে বর্ধমানের নানা এলাকায় তৃণমূলের লোকেদের হাতে আক্রান্ত হয়েছেন দলীয় কর্মীরা। দলের রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য নরেশ কোনার বলেন, “অমিত শাহের সভায় যাতে এলাকার কেউ না যায়, তাই আতঙ্ক তৈরি করছে তৃণমূল।” সব অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন তৃণমূলের জেলা সাধারণ সম্পাদক গোলাম জার্জিস। বীরভূমের বোলপুরেও অমিত শাহের সভায় যাওয়া নিয়ে বিজেপির বৈঠক চলাকালীন রবিবার রাতে হামলা হয় বলে অভিযোগ। তৃণমূল অভিযোগ মানেনি।
পশ্চিম মেদিনীপুরের নয়াগ্রামে আবার ২৯ জন বিজেপি নেতা-কর্মীকে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতারের অভিযোগ উঠেছে। পুলিশের দাবি, রবিবার রাতে ওই ২৯ জন ডাকাতি করতে যাচ্ছিল। নয়াগ্রাম থানার পুলিশ টহলদারির সময় তাদের আটকায়। বিজেপির ঝাড়গ্রাম জেলা সাধারণ সম্পাদক অবনী ঘোষের অভিযোগ, “এলাকায় দলীয় সংগঠন বাড়ছে বলেই তৃণমূলের নির্দেশে পুলিশ আমাদের কর্মীদের মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার করেছে।” তৃণমূলের জেলা সভাপতি দীনেন রায়ের দাবি, “আমাদের বিরুদ্ধে মনগড়া অভিযোগ করা হচ্ছে।”