Bangladesh General Election

২৮ শতাংশ প্রার্থীর মনোনয়নপত্রই অবৈধ! বাংলাদেশের ভোটে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত ঘিরে উঠল প্রশ্ন

১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ১৮৪২ জন প্রার্থী। তবে বাতিল হওয়া কোনও প্রার্থীর পুনর্বিবেচনার আবেদন গ্রাহ্য হলে তাঁকেও ভোটে লড়ার সুযোগ দিতে হবে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৫ জানুয়ারি ২০২৬ ২১:২৭
Share:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার জন্য মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন ২৫৬৮ জন। তাঁর মধ্যে বাতিল হয়েছে ৭২৩ জনের মনোনয়নপত্র! বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের দেওয়া পরিসংখ্যান জানাচ্ছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ১৮৪২ জন প্রার্থী।

Advertisement

নির্বাচন কমিশনের পরিসংখ্যান থেকে দেখা যাচ্ছে, প্রায় ২৮ শতাংশ প্রার্থীরই মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। মনোনয়ন বাতিল হওয়া প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকার একটি আসন থেকে মনোনয়ন জমা দেওয়া দলত্যাগী এনসিপি নেত্রী তাসনিম জ়ারাও। তিনি মনোনয়ন পরীক্ষার পদ্ধতি নিয়ে প্রকাশ্যে প্রশ্ন তুলেছেন। সোমবার তিনি কমিশনে গিয়ে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আপিল করেছেন। কমিশন জানিয়েছে, বিএনপির ২৫, জামায়াতে ইসলামির ১০, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-র ৩, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের ৩৯, জাতীয় পার্টির (জাপা) ৫৯, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) ২৫ এবং ৩৩৮ জন নির্দল প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়েছে।

বাংলাদেশের ভোটে গত ১২-২৯ ডিসেম্বর মনোনয়ন জমা দেওয়ার কাজ হয়েছে। ৩০ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়েছে মনোনয়ন পরীক্ষার কাজ। চলবে রবিবার (৪ জানুয়ারি) পর্যন্ত। কোনও মনোনয়ন বাতিল হলে সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত। ১২ থেকে ১৮ জানুয়ারি হবে সেই আপিলগুলির যথার্থতা যাচাইয়ের কাজ। চূড়ান্ত প্রার্থিতালিকা প্রকাশ এবং নির্বাচনী প্রতীক নির্ধারণ করা হবে ২১ জানুয়ারি। অর্থাৎ আপিলের ভিত্তিতে আরও কয়েক জন প্রার্থীর নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারের পালা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি। চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদের ৩০০-টি আসনের পাশাপাশি একই সঙ্গে হবে জুলাই সনদ নিয়ে গণভোটও।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement