Chinmoy Krishna Das

আইনজীবী হত্যা মামলা: চিন্ময়কৃষ্ণের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে বিচারপ্রক্রিয়া শুরুর নির্দেশ দিল চট্টগ্রাম আদালত

বাংলাদেশের পতাকার অবমাননা এবং রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় ২০২৪ সালের শেষের দিকে গ্রেফতার করা হয়েছিল চিন্ময়কৃষ্ণকে। তাঁর গ্রেফতারিকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে অসন্তোষ ছড়িয়েছিল।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ ২৩:১২
Share:

চিন্ময়কৃষ্ণ দাস। — ফাইল চিত্র।

জেলবন্দি বাংলাদেশের সংখ্যালঘু সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ দাসের বিচারপ্রক্রিয়া শুরুর নির্দেশ দিল সে দেশের আদালত। বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম ‘প্রথম আলোর’ প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবার চট্টগ্রামের বিচার ট্রাইবুন্যালের বিচারক জাহিলদুল হকের এজলাসে চিন্ময়কৃষ্ণদের মামলার শুনানি ছিল। শুনানি শেষে বিচারক জানান, চিন্ময়কৃষ্ণ-সহ ৩৯ জনের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে বিচারপ্রক্রিয়া শুরু করা হোক।

Advertisement

চট্টগ্রামের ওই আদালতের সরকারি আইনজীবী প্রথম আলোকে জানান, বিচারক দ্রুত ওই মামলায় চার্জগঠন করে চিন্ময়কৃষ্ণদের বিরুদ্ধে বিচার শুরুর নির্দেশ দিয়েছেন। পরের শুনানি থেকে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হবে।

বাংলাদেশের পতাকার অবমাননা এবং রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় ২০২৪ সালের শেষের দিকে গ্রেফতার করা হয়েছিল চিন্ময়কৃষ্ণকে। তাঁর গ্রেফতারিকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে অসন্তোষ ছড়িয়েছিল। চট্টগ্রাম-সহ একাধিক এলাকায় অশান্তি হয়। গ্রেফতারির পর চট্টগ্রাম আদালতে জামিনের আবেদন করেন চিন্ময়কৃষ্ণ। তবে সে বছর নভেম্বরে চিন্ময়কৃষ্ণের জামিনের মামলাকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম আদালতচত্বরে অশান্তি হিংসাত্মক রূপ নিয়েছিল। সেই হিংসায় প্রাণ যায় আইনজীবী সাইফুল ইসলামের। অভিযোগ, আদালতচত্বরে কুপিয়ে এবং পিটিয়ে নৃশংস ভাবে হত্যা করা হয় সাইফুলকে।

Advertisement

সেই অভিযোগের ভিত্তিতে আইনজীবী হত্যা মামলায় চিন্ময়কৃষ্ণকে গ্রেফতার করতে চেয়ে আবেদন জানিয়েছিলেন তদন্তকারীরা। আবেদন মঞ্জুর হওয়ার পরই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। শুধু একা চিন্ময়কৃষ্ণকে নয়, এই মামলায় আরও বেশ কয়েক জনকে গ্রেফতার করে বাংলাদেশ পুলিশ। সোমবার সেই মামলার শুনানি ছিল চট্টগ্রাম আদালতে। শুনানিকে কেন্দ্র করে আদালত চত্বর নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছিল। কড়া নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে চিন্ময়কৃষ্ণ-সহ ২৩ জনকে আদালতে হাজির করানো হয়। পুলিশ জানিয়েছে, এই মামলায় অভিযুক্ত আরও ১৬ জন পলাতক।

আদালতে চিন্ময়ের পক্ষে আইনজীবী অপূর্বকুমার ভট্টাচার্য সওয়াল করেন। তিনি তাঁর মক্কেলকে ‘নির্দোষ’ বলে দাবি করে মামলা থেকে অব্যাহতি আবেদন করেন। কিন্তু সরকারের তরফে আপত্তি জানানো হয়। দু’পক্ষের সওয়াল-জবাব শেষে বিচারপ্রক্রিয়া শুরুর নির্দেশ দেন বিচারক।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement