Media Personnel Arrested

ঢাকায় সাংবাদিকদের তুলে নিয়ে গেল সেনা

ফেসবুক লাইভে সাব্বির দাবি করেন, রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ বাংলাদেশের সেনা সদস্য পরিচয়ে দু’টি গাড়িতে করে ওই সংবাদমাধ্যমের দফতরে আসেন এক দল ব্যক্তি।

শেষ আপডেট: ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৮:৪৯
Share:

বাংলাদেশ সেনা। ছবি: সংগৃহীত।

মুহাম্মদ ইউনূসের জমানায় ফের বাংলাদেশে আক্রান্ত হল সংবাদমাধ্যম। আজ সন্ধ্যায় ‘বাংলাদেশ টাইমস’ সংবাদপত্রের অফিস থেকে কয়েক জন সাংবাদিককে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন ওই সংবাদমাধ্যমের প্রধান সম্পাদক সাব্বির। মোট ২১ জন সাংবাদিককে ধরে নেওয়া হয়েছে বলে দাবি ওই সংবাদমাধ্যমের। পরে অবশ্য তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

ফেসবুক লাইভে সাব্বির দাবি করেন, রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ বাংলাদেশের সেনা সদস্য পরিচয়ে দু’টি গাড়িতে করে ওই সংবাদমাধ্যমের দফতরে আসেন এক দল ব্যক্তি। তাঁরা সংবাদমাধ্যমের দফতরে সন্ধ্যাকালীন শিফ্‌টে কর্মরত সাংবাদিক ও সংবাদকর্মীদের তুলে নিয়ে যান। সাব্বিরের দাবি, সাংবাদিকদের উত্তরা সেনা শিবিরে নিয়ে যাওয়া হয়।

সাব্বির জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে তাঁরা সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে প্রচুর স্বাধীনতা ভোগ করছিলেন। কিন্তু দেশে অর্থবহ নির্বাচন করানোর ঠিক আগে সংবাদমাধ্যমের দফতরে এমন হামলা খারাপ দৃষ্টান্ত। কারণ, নথিবদ্ধ সংবাদমাধ্যম হিসেবে সেনার প্রচার শাখা আইএসপিআর-এর সঙ্গে যোগাযোগ আছে ‘বাংলাদেশ টাইমস’-এর। সাব্বিরের মতে, সম্প্রতি সেনা সম্পর্কিত একটি খবরের প্রেক্ষিতে এই পদক্ষেপ করা হয়ে থাকতে পারে বলে তাঁরা মনে করছেন। কিন্তু সে ক্ষেত্রে তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগের নির্দিষ্ট পদ্ধতি রয়েছে।

‘বাংলাদেশ টাইমস’-এর ফেসবুক পেজে পোস্ট করা অন্য একটি ভিডিয়োয় দেখা যাচ্ছে, ওই সংবাদমাধ্যমের দফতরে খোলা রয়েছে কম্পিউটার ও সাংবাদিকদের অন্যান্য যন্ত্র। সাব্বিরের দাবি, গত কাল ঢাকায় শরিফ ওসমান হাদির হত্যার বিরুদ্ধে ইনকিলাবি মঞ্চের সদস্যদের বিক্ষোভের সময়ে নানা বক্তব্য পেশ করা হচ্ছিল। সেই সময়েই প্রচারিত একটি বক্তব্যের জেরেই ‘বাংলাদেশ টাইমস’-এর সাংবাদিকদের পাকড়াও করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

রাতে ‘বাংলাদেশ টাইমস’-এর ফেসবুক পেজেই পোস্ট করা হয় একটি ভিডিয়ো। তাতে এক সাংবাদিক জানান, তাঁদের কয়েক জনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তিন জন তখনও ভিতরে। সহকর্মীরা সেনা শিবিরের বাইরেই অপেক্ষা করছেন। এক সাংবাদিকের দাবি, ‘ভুল বোঝাবুঝি’র জন্যই সাংবাদিকদের পাকড়াও করা হয়েছিল বলে জানিয়েছে সেনা। পরে ‘বাংলাদেশ টাইমস’-এর তরফে জানানো হয়, তাদের সব কর্মীকে ছাড়া হয়েছে। বাহিনীর নামে সেনার কোনও অত্যুৎসাহী সদস্যের এমন কাজ নিন্দনীয়। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলেই আক্রান্ত হয় ‘প্রথম আলো’ এবং ‘দ্য ডেলি স্টার’। সংবাদ সংস্থা

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন