বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। —ফাইল চিত্র।
বিভেদ-বিভাজনের বিরুদ্ধে বার্তা দিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘কেউ যেন আমাদের মধ্যে বিভেদ-বিরোধ সৃষ্টি না করতে পারে। মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, বিশ্বাসী, অবিশ্বাসী কিংবা সংসয়বাদী— আমরা সবাই মিলে ভাল থাকব’।
শনিবার বেলা ১১টায় ঢাকার ওসমানি স্মৃতি মিলনায়তনের একটি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসেছিলেন তারেক। সেখানেই তিনি শান্তির বার্তা দেন। এর পাশাপাশি তাঁর দাবি, ‘স্বনির্ভর বাংলাদেশ’-এর জন্য জরুরি নাগরিকদের দায়দায়িত্ব পালন করা। তাঁর কথায়, ‘নাগরিক হিসেবে যদি নিজ নিজ অবস্থান থেকে রাষ্ট্র ও সমাজের প্রতি দায়িত্ব সঠিক ভাবে পালন করি, আমি আশা করছি, ১০ বছরে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ভাবে আমরা স্বনির্ভর বাংলাদেশ দেখতে পাব’। তবে তাঁর এ-ও দাবি, দেশের নাগরিকেরা দুর্বল হলে রাষ্ট্র কখনও শক্তিশালী হতে পারে না। ফলে, দেশবাসীর ক্ষমতায়ন অত্যন্ত জরুরি।
এ ছাড়াও শনিবার বেশ কিছু সহায়তা কর্মসূচির ঘোষণা করেন তারেক। তিনি জানান, ‘আজ থেকে চালু হল খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিন এবং অন্যান্য ধর্মীয় গুরুদের জন্য আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি। সারা দেশে যাঁদের প্রয়োজন, তাঁদের প্রত্যেককে পর্যায়ক্রমিক ভাবে এ সহায়তা দেওয়া হবে। ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে প্রতিটি শ্রেণি-পেশার মানুষ তথা প্রতিটি নাগরিকের আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার রাষ্ট্রীয় সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করবে’।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে