টুকরো খবর

পর্যাপ্ত জামাকাপড় না পরার ‘অপরাধে’ বিতর্কে জড়াল কার্টুন চরিত্র উইনি দ্য পু! উত্তর পোলান্ডের ছোট্ট শহর তুজেইনের একটি শিশু উদ্যানে ব্রাত্য পু। এলাকার সরকারি আধিকারিকদের দাবি, পু চরিত্রটি ছোটদের দেখার জন্য একেবারেই অনুপযুক্ত। অগত্যা, প্রশাসনের নির্দেশ, শিশুদের ওই খেলার মাঠে কোনও মতেই পু-এর কোনও ছবি আঁকা যাবে না। এই সিদ্ধান্তের কারণ দেখাতে গিয়ে প্রশাসনের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, প্রথমত, পু-নামের ওই কার্টুন ভল্লুকটি যথেষ্ট জামাকাপড় পরে নেই।

Advertisement
শেষ আপডেট: ২৩ নভেম্বর ২০১৪ ০০:৫৪
Share:

ভল্লুক তোর কাপড় কোথায়, পোলান্ডে বিতর্কে জড়াল পু
সংবাদ সংস্থা • তুজেইন (পোলান্ড)

Advertisement

পর্যাপ্ত জামাকাপড় না পরার ‘অপরাধে’ বিতর্কে জড়াল কার্টুন চরিত্র উইনি দ্য পু! উত্তর পোলান্ডের ছোট্ট শহর তুজেইনের একটি শিশু উদ্যানে ব্রাত্য পু। এলাকার সরকারি আধিকারিকদের দাবি, পু চরিত্রটি ছোটদের দেখার জন্য একেবারেই অনুপযুক্ত। অগত্যা, প্রশাসনের নির্দেশ, শিশুদের ওই খেলার মাঠে কোনও মতেই পু-এর কোনও ছবি আঁকা যাবে না। এই সিদ্ধান্তের কারণ দেখাতে গিয়ে প্রশাসনের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, প্রথমত, পু-নামের ওই কার্টুন ভল্লুকটি যথেষ্ট জামাকাপড় পরে নেই। হলুদ ভল্লুকের গায়ে শুধু একটা লাল জামা। তাতে তো আর গোটা শরীর ঢাকেনি! ফলে বাচ্চাদের জন্য পু মোটেও ভাল নয়। দ্বিতীয়ত, শরীরের নিম্নাংশ একেবারে খালি হলেও ভল্লুকের লিঙ্গ বোঝা যাচ্ছে না। এমন একটি ‘বিতর্কিত’ ভল্লুক ছানাকে বাচ্চাদের সামনে তুলে দেওয়া ‘বিপজ্জনক’! স্থানীয় কাউন্সিলর রিজার্দ ক্লিচির কথায়, “ওই কার্টুনের কি জামাকাপড় কম পড়েছে? আমাদের দেশের খেলনা ভল্লুকদের কিন্তু আপাদমস্তক ঢাকা থাকে।” আর এক আধিকারিকের কথায়, “পু ট্রাউজার্স পরে না কেন? ওর কোনও লিঙ্গ নেই বলে?” বাচ্চাদের জন্য পু ভয়ানক ক্ষতিকর বলে দাবি করে ওই আধিকারিকেরা এক হাত নিয়েছেন পু-এর সৃষ্টিকর্তা অ্যালেন আলেকজান্ডার মিলনেকে। এক কাউন্সিলর হ্যান জাকামস্কার কথায়, “এক ৬০ বছরের লেখক এ ভাবে পু-কে সৃষ্টি করেছেন, কারণ তাঁর নিজের পরিচয় নিয়ে সমস্যা আছে।”

Advertisement

বিতর্কিত এলাকায় চিনের বিমানঘাঁটি
সংবাদ সংস্থা • ওয়াশিংটন

দক্ষিণ চিন সাগরের বিতর্কিত স্প্র্যাটলি দ্বীপপুঞ্জে একটি বিমানঘাঁটি তৈরি করছে চিন। উপগ্রহ চিত্রে এমন ছবি ধরা পড়েছে বলে শুক্রবার জানিয়েছে স্থানীয় একটি সংবাদমাধ্যম। উপকূল থেকে দূরে এটি চিনের প্রথম বিমানঘাঁটি। এই জলভূমি নিয়ে আগে থেকেই চাপা উত্তেজনা ছিল তাইওয়ান, মালয়েশিয়া, ফিলিপিন্স, ভিয়েতনাম ও ব্রুনেইয়ের মধ্যে। চিনের নতুন পদক্ষেপ স্বভাবতই সেই উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দেবে বলে মনে করছে বিভিন্ন মহল। আসলে নিজেদের শক্তি বৃদ্ধি করতে দক্ষিণ চিন সাগরের বিতর্কিত এলাকাতেও চিন নিজেদের সেনাঘাঁটি তৈরি করছে বলে মনে করা হচ্ছে। একটি ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ‘ফিয়েরি ক্রস রিফ’-এ তৈরি এই এলাকাটি তিন হাজার মাইল লম্বা ও প্রায় দু’শো থেকে তিনশো মিটার চওড়া। এই আয়তন বিমান অবতরণের পক্ষে যথেষ্ট। তবে শুধু এতেই ক্ষান্ত নয়, এই বিমানঘাঁটির দক্ষিণে সেনাবাহিনীর ট্যাঙ্কার, জাহাজের জন্য একটি বন্দরেরও সন্ধান পাওয়া গিয়েছে বলে জানিয়েছে সেই সংবাদমাধ্যম। অবশ্য চিনের প্রতিরক্ষা দফতর এ সব কিছু মোটেই স্বীকার করতে চায়নি।


শুরু হয়ে গিয়েছে বড়দিনের প্রস্তুতি। শনিবার সুইডেনের স্টকহলম শহরে। ছবি: এ পি

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement