ডোনাল্ড ট্রাম্প। —ফাইল চিত্র।
পরিকল্পনা থাকলেও দ্বিতীয় বার ভেনেজ়ুয়েলায় সামরিক অভিযান চালাবে না আমেরিকা। শুক্রবার নিজেই এই কথা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কী কারণে তাঁর এই সিদ্ধান্ত, তা-ও জানিয়েছেন তিনি। ট্রাম্প জানান, ভেনেজ়ুয়েলা রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে ‘শান্তিকামী পদক্ষেপ’ হিসাবে অভিহিত করেছেন তিনি। তার পরেই তিনি ভেনেজ়ুয়েলায় আর সামরিক অভিযান না-চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
শুক্রবার সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করে ট্রাম্প লেখেন, “ভেনেজ়ুয়েলা বড় সংখ্যক রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি দিচ্ছে। তারা যে শান্তি চায়, সেই বার্তাই দিচ্ছে। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং ভাল সিদ্ধান্ত।” একই সঙ্গে ট্রাম্পের সংযোজন, “আমেরিকা এবং ভেনেজ়ুয়েলা এক সঙ্গে ভাল কাজ করছে। বিশেষত ভেনেজ়ুয়েলার তেল এবং গ্যাস উত্তোলনের পরিকাঠামোকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে। এই বোঝাপড়ার কারণেই আমি দ্বিতীয় দফায় (ভেনেজ়ুয়েলাকে) আক্রমণ করার সিদ্ধান্ত বাতিল করছি।”
ট্রাম্প এ-ও জানিয়েছেন, আপাতত ভেনেজ়ুয়েলায় সামরিক অভিযান চালানোর প্রয়োজন না-হলেও সুরক্ষা এবং নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে তিনি দক্ষিণ আমেরিকার ওই দেশে জাহাজ মোতায়েন রাখবেন।
গত সপ্তাহে ভেনেজ়ুয়েলায় সামরিক অভিযান চালায় আমেরিকা। ভেনেজ়ুয়েলার রাজধানী কারাকাসে হানা দিয়ে সে দেশেই প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে তাঁরই প্রাসাদ থেকে সস্ত্রীক তুলে নিয়ে যায় মার্কিন সেনা। বর্তমানে আমেরিকার জেলে বন্দি রয়েছেন মাদুরো। এই পরিস্থিতিতে ভেনেজ়ুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসাবে দায়িত্ব নিয়েছেন ডেলসি রোড্রিগেস। তবে ট্রাম্প ইতিমধ্যে স্পষ্ট করে দিয়েছেন, এখনই ভেনেজ়ুয়েলায় নির্বাচন হতে দিতে তিনি চান না। ট্রাম্পের দাবি, নির্বাচনের আগে সে দেশে সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে। হোয়াইট হাউসের একটি সূত্রের দাবি, ভেনেজ়ুয়েলায় যে সমস্ত রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি দেওয়া হয়েছে, তাঁরা মাদুরোর আমলে বন্দি হয়েছিলেন।