Bangladesh Election

নির্বিঘ্নে কি মিটবে ভোট, সংশয়

রাজনৈতিক মহলের একটি সূত্র বলছে, জামায়েতে ইসলামী এখনও পর্যন্ত নিশ্চিত হতে পারছে না, সম্মানজনক আসন পাবে কিনা। আওয়ামী লীগ নেই, দেশে শেখ হাসিনা-বিরোধী হাওয়া রয়েছে। এই হাওয়ায় ভর করে যদি বিপুল আসনে জিতে আসে বিএনপি, তা হলে জামাত পাবে নামমাত্র আসন।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২২ জানুয়ারি ২০২৬ ০৯:১৩
Share:

গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

বাংলাদেশে ভারতের হাই কমিশন ও ডেপুটি হাই কমিশনগুলিতে দায়িত্বরত কূটনীতিক ও অন্য আধিকারিকদের পরিবারের সদস্যদের ফিরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্তের পর আজ সে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সাউথ ব্লক— বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে এ খবর জানা গিয়েছে। গত কালই জানানো হয়েছিল, সে দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত। কিন্তু এরপর বাংলাদেশের অন্তর্বর্তিকালীন সরকারের মহল থেকে দাবি করা হয়েছে, ঢাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিকই রয়েছে। এই বিষয়ে দ্বিমত পোষণ করছে নয়াদিল্লি। বাংলাদেশে নির্ধারিত সময় নির্বাচন হবে কি না, তা নিয়েও সংশয়ে সাউথ ব্লক।

সূত্রের খবর, কূটনীতিকদের পরিবারকে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত আগে থেকেই নেওয়া হয়েছিল। প্রক্রিয়া চলছিলই। মূলত চট্টগ্রামের মিশনে হামলার পরই নিরাপত্তার ঝুঁকি আর নিতে চায়নি নয়াদিল্লি। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে ভোট। তার আগে পরিস্থিতি কোন পথে এগোয় সে দিকে সতর্ক নজর রাখছে বিদেশ মন্ত্রক। শেষ পর্যন্ত ভোট নির্ধারিত সময় হবে কিনা, তা নিয়ে উৎকণ্ঠা এখনও রয়েছে। ভোট না হওয়ার কারণ যে শুধু সে দেশে হিংসা বাড়িয়ে বানচাল করে দেওয়া তা না-ও হতে পারে।

রাজনৈতিক মহলের একটি সূত্র বলছে, জামায়েতে ইসলামী এখনও পর্যন্ত নিশ্চিত হতে পারছে না, সম্মানজনক আসন পাবে কিনা। আওয়ামী লীগ নেই, দেশে শেখ হাসিনা-বিরোধী হাওয়া রয়েছে। এই হাওয়ায় ভর করে যদি বিপুল আসনে জিতে আসে বিএনপি, তা হলে জামাত পাবে নামমাত্র আসন। দীর্ঘমেয়াদি রাজনীতিতে তাদের গৌণ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকবে। আওয়ামী লীগ ময়দানের বাইরে। জামাতও ভোট থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করলে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে নির্বাচনের ছবিটি ভেস্তে যাবে। সে ক্ষেত্রে ইউনূস সরকার ভোট পিছিয়ে দিতে দ্বিধা করবে না, কারণ বিষয়টি তাদের জন্যও মন্দ নয় বলেই মনে করা হচ্ছে।

সূত্রের বক্তব্য, কূটনীতিকদের পরিবারকে ফেরানোর সিদ্ধান্ত একান্তই সর্তকতামূলক। গত দু’মাসে দু’ডজনেরও বেশি প্রতিবাদ-আন্দোলন ভারতীয় হাই কমিশনের গা ঘেঁষেই হয়েছে। তা ছাড়াও ১৮ ডিসেম্বর চট্টগ্রামে ভারতের ডেপুটি হাই কমিশনে প্রতিবাদকারীরা পাথর ছুঁড়েছে অফিস চত্বরে। কিন্তু অন্য দিকে, নয়াদিল্লিতে প্রতিবাদকারীরা বাংলাদেশ হাই কমিশনের থেকে ৫০০মিটার দূরে ছিল। এক জনও কাছে আসতে পারেনি। নয়াদিল্লির বক্তব্য, বহু দিন ধরেই বাংলাদেশ হাই কমিশনের রাস্তা দু’দিক থেকে বন্ধ, রয়েছে পুলিশ প্রহরা। গন্ডগোলের আশঙ্কায় বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তাও। সব মিলিয়ে ভারতের পরিস্থিতিরসঙ্গে বাংলাদেশের পরিস্থিতিরতুলনাই চলে না।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন