India Bangladesh

বিএনপি দফতরে গিয়ে তারেকের সঙ্গে বৈঠক ভারতীয় রাষ্ট্রদূতের! ৪০ মিনিটের আলোচনায় উঠল দিল্লি-ঢাকা সম্পর্কও

গত ৩১ ডিসেম্বর তারেককে চিঠি পাঠিয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর নিজে সেই চিঠি তুলে দিয়েছিলেন তারেকের হাতে। এ বার তারেকের সঙ্গে বৈঠক সারলেন ভারতের রাষ্ট্রদূতও।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১০ জানুয়ারি ২০২৬ ২০:৪৪
Share:

শনিবার বিকেলে ঢাকায় বিএনপি চেয়ারপার্সন তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক ভারতীয় রাষ্ট্রদূত প্রণয় বর্মার। ছবি: বিএনপির সমাজমাধ্যম পাতা থেকে।

বিএনপি প্রধান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক সারলেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূত প্রণয় বর্মা। শনিবার বিকেলে গুলশনে বিএনপির দফতরে যান প্রণয়। বিএনপি এই বৈঠককে একটি সৌজন্য সাক্ষাৎ বলেই ব্যাখ্যা করছেন। তবে বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষিতে এই সাক্ষাৎ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। বিএনপি সূত্রে খবর, প্রায় ৪০ মিনিট বৈঠক হয়েছে তাঁদের।

Advertisement

বিএনপি নেত্রী খালেদা জ়িয়ার মৃত্যুর পরে শোকবার্তা জানিয়ে তারেককে চিঠি পাঠিয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে কূটনৈতিক টানাপড়েনের মাঝেই খালেদার শেষকৃত্যে ঢাকায় গিয়েছিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তিনিই মোদীর লেখা শোকবার্তা তারেকের হাতে তুলে দেন। এ বার বিএনপির দফতরে গিয়ে তারেকের সঙ্গে বৈঠক সারলেন ভারতের রাষ্ট্রদূত। বিএনপি-র সমাজমাধ্যম পাতায় বৈঠকের স্বল্পদৈর্ঘ্যের একটি ভিডিয়োও পোস্ট করা হয়েছে। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। প্রণয়ের সঙ্গে ভারতীয় দূতাবাসের দুই আধিকারিকও গিয়েছিলেন গুলশনে বিএনপির দফতরে।

কী নিয়ে তাঁদের বৈঠক হয়েছে, তা পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। তবে বৈঠকের পরে বিএনপি-র যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির বলেন, “ভারতের সঙ্গে কী সম্পর্ক হবে, তা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সাহেব চিঠি (খালেদার মৃত্যুর পরে শোকবার্তা)-র মাধ্যমেই বলে দিয়েছেন। ওই চিঠিতেই বলেছেন, তারেক রহমান সাহেবের নেতৃত্বে নয়া দিগন্ত এবং সম্পর্কের নতুন অধ্যায় তাঁরা দেখতে চান। সৌজন্যমূলক বৈঠক হয়েছে। বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ তো অবশ্যই আছে। কী ভাবে দুই দেশ মিলে সহযোগিতার পথ প্রশস্ত করতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।” বিএনপি-র ওই নেতার দাবি, শনিবার বিকেলের বৈঠক মূলত শুভেচ্ছা সাক্ষাতের মধ্যেই সীমিত ছিল। বিস্তারিত কোনও আলোচনা হয়নি বলেই দাবি ওই বিএনপি নেতার।

Advertisement

গত ৩১ ডিসেম্বর তারেককে পাঠানো চিঠিতে মোদী লিখেছিলেন, খালেদার মৃত্যু বাংলাদেশে এক অপূরণীয় শূন্যতা তৈরি করবে বলে মনে করছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, খালেদা যে মতাদর্শ নিয়ে চলতেন, তারেকও তা আগামী দিনে সঠিক ভাবে বহন করবেন বলে তিনি মনে করেন। ‘ইন্ডিয়া টুডে’ অনুসারে ওই চিঠিতে মোদী লিখেছিলেন, ‘‘তাঁর (খালেদার) মৃত্যু একটি অপূরণীয় শূন্যতা তৈরি করেছে। তবে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি এবং (রাজনৈতিক) উত্তরাধিকার অক্ষুণ্ণ থাকবে। আমি নিশ্চিত বিএনপি-তে আপনার যোগ্য নেতৃত্ব তাঁর আদর্শকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement