Iran US Tension

ওরা চায় অর্থনৈতিক সমস্যার সুযোগে ইরানকে ছিন্নভিন্ন করে দিতে! ট্রাম্প, নেতানিয়াহুর সঙ্গে ইউরোপকেও তোপ তেহরানের

মার্কিন রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন পশ্চিম এশিয়া সংলগ্ন সমুদ্রে ঘুরপাক খাওয়ায় ইতিমধ্যে উত্তেজনার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে এই এলাকায়। তার মধ্যে শুক্রবারই মার্কিন নৌসেনার একটি ডেস্ট্রয়ার রণতরী পৌঁছেছে ইজ়রায়েলের ইলাত বন্দরে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ ১৮:৩০
Share:

(বাঁ দিকে) আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই (ডান দিকে)। —ফাইল চিত্র।

পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনার মাঝে এ বার আমেরিকা, ইজ়রায়েল এবং ইউরোপীয় দেশগুলিকে এক যোগে নিশানা করল ইরান। তারা ইরানের অর্থনৈতিক সমস্যার সুযোগ নিয়ে তেহরানে অস্থিরতায় উস্কানি দিচ্ছে। এমনটাই অভিযোগ তুললেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজ়েশকিয়ান। ইরানের সাম্প্রতিক গণবিক্ষোভে মদত দিতে ‘ইরানকে ছিন্নভিন্ন করে ফেলার’ চেষ্টা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ তুলেছেন তিনি।

Advertisement

ইরানের সরকারি টেলিভিশনে পেজ়েশকিয়ানের ভাষণ সরাসরি সম্প্রচারিত হয়। সেখানে তিনি বলেন, “আমেরিকা, ইজ়রায়েল এবং ইউরোপীয় নেতারা উস্কানি দিয়ে ভেদাভেদ তৈরির চেষ্টা করছেন। (বিক্ষোভে) মদত দিচ্ছেন। এর ফলে কিছু নিরীহ মানুষ এই আন্দোলনে জড়িয়ে পড়ছেন।” সাম্প্রতিক গণবিক্ষোভ প্রসঙ্গে ইরানের প্রেসিডেন্ট বলেন, “এটি যে শুধুই একটি সামাজিক প্রতিবাদ ছিল না, তা সকলেই জানেন। তাঁদের (বিক্ষোভকারীদের) রাস্তায় নামিয়ে আনা হয়েছিল। এই দেশকে ছিন্নভিন্ন করে দেওয়ার এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে বিদ্বেষ ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল।”

মার্কিন রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন পশ্চিম এশিয়া সংলগ্ন সমুদ্রে ঘুরপাক খাওয়ায় ইতিমধ্যে উত্তেজনার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে এই এলাকায়। তার মধ্যে শুক্রবারই মার্কিন নৌসেনার একটি ডেস্ট্রয়ার রণতরী পৌঁছেছে ইজ়রায়েলের ইলাত বন্দরে। পর পর এই ঘটনাগুলিতে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। আমেরিকার বাহিনী ইরানের হামলা চালাতে পারে, এমন আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে। যদি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি, তিনি চান না যে ইরানে হামলার মতো কোনও পরিস্থিতি তৈরি হোক। তবে তাতে উত্তেজনা কমেনি। বরং আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।

Advertisement

দু’দিন আগেই ইরানের সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করেছে ইউরোপীয় জোট। রাশিয়াকে ড্রোন সরবরাহ করে ইউক্রেন যুদ্ধে সহযোগিতার দায়ে ইরান সেনার ‘এলিট ফোর্স’ ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। এমনটাই দাবি ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)-এর। এই অভিযোগে আইআরজিসি-কে ‘সন্ত্রাসবাদী সংগঠন’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। তার পরে আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নকেও পেজ়েশকিয়ানের একযোগে আক্রমণ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন অনেকে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement