ইরানি রণতরী আইআরআইএস দেনা।
ভারত থেকে ফেরার পথে আমেরিকার ডুবোজাহাজের টর্পেডো হামলায় ডুবে গিয়েছে ইরানি রণতরী আইআরআইএস দেনা। হামলার কয়েক মিনিট আগে ওই রণতরীর এক নাবিক তাঁর বাবাকে ফোন করেছিলেন। ইরানের একটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ওই নাবিক তাঁর বাবাকে বলেছিলেন, আমেরিকার বাহিনী দু’বার ইরানের ওই রণতরীটিকে বার্তা পাঠিয়েছিল। তাতে রণতরীর ক্রু’দের জলযানটি ত্যাগ করতে বলা হয়েছিল। কিন্তু সতর্কবার্তা সত্ত্বেও রণতরীর কমান্ডার ক্রু’দের সরে যাওয়ার নির্দেশ দিতে অস্বীকার করেছিলেন।
ইরানের রণতরীতে আমেরিকার টর্পেডো হামলায় ৮৭ জন নিহত হন। জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা গিয়েছে ৩২ জনকে। ওই টর্পেডো হামলার কয়েক মিনিট আগে এক নাবিক জাহাজের পরিস্থিতি সম্পর্কে বাবাকে জানিয়েছিলেন। পিতা-পুত্রের কথোপকথন উল্লেখ করে ইরানের একটি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত রিপোর্টে বলা হয়েছে, ক্রু’দের রণতরী ছাড়ার নির্দেশ নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। কমান্ডার ও ক্রু’দের মধ্যে রীতিমতো অশান্তি হয়। কয়েকজন নাবিক কমান্ডারের সঙ্গে তর্কেও জড়িয়ে পড়েন। শেষ পর্যন্ত যে ৩২ জন বেঁচে যান, তাঁদের বেশিরভাগই নির্দেশ অমান্য করে নিজেরাই লাইফবোটে পৌঁছে গিয়েছিলেন। ওই সংঘাতের ফল হয়েছিল মারাত্মক। কেন ক্রু’দের রণতরী ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়নি তা অবশ্য এখনও স্পষ্ট নয়।
আইরিস দেনা-র অন্তত ২২ নাবিককে শ্রীলঙ্কার গলের হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে রবিবার জানিয়েছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। অধিকর্তাদের মতে, তাঁদের অ্যাম্বুল্যান্সে করে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে কোগ্গালায় শ্রীলঙ্কা বিমানবাহিনীর একটি কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। হাসপাতাল আরও ১০ জন নাবিক চিকিৎসাধীন আছেন।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে