ডোনাল্ড ট্রাম্প। —ফাইল চিত্র।
আগামী মাসেই আশিতে পড়বেন। তার আগেই নিয়মমাফিক স্বাস্থ্যপরীক্ষা হয়েছিল আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, ৭৯ বছরের প্রেসিডেন্ট সুস্থই আছেন। তবে তাঁর ওজন কমানোর পরামর্শ দিয়েছেন তাঁরা। বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট যেন এখন থেকে বেশি করে শারীরিক কসরত করেন।
গত মঙ্গলবার ওয়াল্টার রিড ন্যাশনাল মিলিটারি মেডিক্যাল সেন্টারে স্বাস্থ্যপরীক্ষা করাতে গিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এই হাসপাতালেই বরাবর দেশের প্রেসিডেন্টদের সরকারি ভাবে স্বাস্থ্যপরীক্ষা করানো হয়। এটাই প্রথা। ট্রাম্পও ব্যতিক্রম নন। হোয়াইট হাউসের তরফে গত কাল ট্রাম্পের স্বাস্থ্য নিয়ে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। প্রেসিডেন্টের সরকারি চিকিৎসক শন বারবাবেলা সেই বিবৃতিতে বলেছেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের স্বাস্থ্য চমৎকার রয়েছে। তিনি কমান্ডার-ইন-চিফ এবং রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে সমস্ত ধরনের কর্তব্য পালনে সক্ষম’।
হোয়াইট হাউসের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মোট ২২ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের উপস্থিতিতে গত মঙ্গলবার ট্রাম্পের অসংখ্য পরীক্ষা করানো হয়। ছিল ক্যানসারের স্ক্রিনিং থেকে শুরু করে কার্ডিয়াক ইমেজিং এবং সিটি স্ক্যানও। রিপোর্ট আসার পরে দেখা গিয়েছে, ৬ ফুট ৩ ইঞ্চির ট্রাম্পের ওজন এখন ১০৮ কেজি। গত বছরের তুলনায় প্রায় সাড়ে ৬ কেজি ওজন বেড়েছে প্রেসিডেন্টের। হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের দল তাই তাঁকে ওজন কমানোর দিকে নজর দিতে বলেছেন। ভাজাভুজিতে রাশ টেনে প্রেসিডেন্টের খাদ্যাভ্যাসেও পরিবর্তন আনার কথা বলা হয়েছে রিপোর্টে। রিপোর্টে আরও জানানো হয়েছে, কোলেস্টোরল নিয়ন্ত্রণের ২টি এবং আরও একটি ওষুধ নিয়মিত খান ট্রাম্প। চিকিৎসকেরা তাঁকে এর পর থেকে একটি করে হালকা ডোজ়ের অ্যাসপিরিন খাওয়ার পরামর্শও দিয়েছেন। হৃদ্রোগের ঝুঁকি এড়ানোর জন্যই এমন পরামর্শ বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস।
গত কয়েক মাস ধরে ট্রাম্পের হাতের কালশিটের দাগ নিয়ে নানা জল্পনা ছড়িয়েছে। হোয়াইট হাউসের চিকিৎসকের বক্তব্য, বিভিন্ন ধরনের মানুষের সঙ্গে প্রেসিডেন্টকে সব সময় করমর্দন করতে হয়, সেখান থেকেই তাঁর ত্বকের কলায় এক ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। যা নিয়ে চিন্তার কারণ নেই বলেই জানিয়েছেন বারবাবেলা। ট্রাম্পের পা ফোলার সমস্যাও ছিল। সেটিও বয়সজনিত বলে জানিয়েছেন তাঁর চিকিৎসক। গত মার্চ মাসে ট্রাম্পের ঘাড়ে এক ধরনের র্যাশ নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছিল। সেটিও চর্মরোগজনিত সমস্যা বলে জানিয়েছেন বারবাবেলা। যদিও বিশদে এ নিয়ে কোনও ব্যাখ্যা দেননি তিনি। বিগত কয়েক মাসে বেশ কিছু অনুষ্ঠানে প্রেসিডেন্টকে প্রকাশ্যে ঝিমোতে দেখা গিয়েছে বলে খবর করেছিল কিছু আমেরিকান সংবাদমাধ্যম। ট্রাম্পের চিকিৎসক অবশ্য এই বিষয়টিকেও তেমন আমল দিতে চাননি।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে