তেহরানে ড্রোন হামলার পর ধোঁয়ার কুণ্ডলী। ছবি: রয়টার্স।
ইরানের রেভলিউশনারি গার্ড বাহিনী জানিয়েছে, কুয়েতে মার্কিন সেনাঘাঁটির সদর দফতরে হামলা চালানো হয়েছে। পশ্চিম এশিয়ায় ইজ়রায়েল এবং আমেরিকার ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চলছে।
নরওয়ের ওসলো শহরে মার্কিন দূতাবাসের সামনে বিস্ফোরণ হয়েছে। কী থেকে বিস্ফোরণ, এখনও স্পষ্ট নয়। দূতাবাসের সঙ্গে কথা বলছে স্থানীয় প্রশাসন। হতাহতের খবর নেই।
লেবাননে ইরান সমর্থিত হিজ়বুল্লাদের নিশানা করে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইজ়রায়েল। রবিবারও ইজ়রায়েলি সেনা দাবি করল, তারা লেবাননের রাজধানী বেইরুটে হিজ়বুল্লা কমান্ডারদের লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। এর আগে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ দাবি করেছিল, ইজ়ারায়েলি হামলায় বেইরুটের একটি হোটেলে চার জনের মৃত্যু হয়েছে।
সরকারি হিসাবে পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধে এখনও পর্যন্ত ছ’জন মার্কিন সেনার প্রাণ গিয়েছে। শনিবার (স্থানীয় সময়) তাঁদের দেহ আমেরিকায় পৌঁছেছে। রাষ্ট্রীয় সম্মানে ঘরে ফেরানো হয়েছে নিহতদের কফিন।
ইরান থেকে উড়ে আসা ড্রোন আটকানোর পর তার ধ্বংসাবশেষ আঘাত করল দুবাই মেরিনার একটি টাওয়ারে। এর ফলে শনিবার রাতে সেখানে আগুন ধরে যায় এবং ধোঁয়া দেখা যায়। তবে স্থানীয় প্রশাসনের তৎপরতায় বড় বিপদ এড়ানো গিয়েছে।
কুয়েতের সামাজিক নিরাপত্তা দফতরে হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ। দফতরের মূল ভবনে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, রিয়াধে একটি ড্রোন উড়ে এসেছিল। সেনাবাহিনী তা আটকে দিয়েছে। কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। সৌদির আকাশসীমায় ঢুকে পড়া এমন অন্তত ১৫টি ড্রোন প্রতিহত করা হয়েছে।
অভিযোগ, ক্ষমা চাওয়ার পরেও ইরান হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। শনিবার প্রেসিডেন্টের বার্তা আসার পরেও উপসাগরীয় অঞ্চলের একাধিক দেশে উড়ে এসেছে ইরানের ড্রোন।