যুদ্ধ পরিস্থিতি ক্রমে জটিল হচ্ছে পশ্চিম এশিয়ায়। ছবি: এক্স।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালাল ইরাকের সরয়া আওলিয়া আল-দাম গোষ্ঠী। শনিবার ইরাকের এরবিল শহরের মার্কিন ঘাঁটি এবং বাগদাদ বিমানবন্দরের কাছে ভিক্টোরিয়া ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে তারা।
ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি শনিবার দাবি করেছেন, হরমুজ় প্রণালী কেবল আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলি জাহাজের জন্যই বন্ধ। বাকি সব দেশের জাহাজ ওই প্রণালী দিয়ে বিনা বাধায় যাতায়াত করতে পারবে।
সংযুক্ত আরব আমিরশাহির প্রতিরক্ষা মন্ত্রক শনিবার জানিয়েছে, ইরান থেকে তাদের দিকে ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হচ্ছে। সেগুলি প্রতিহত করা হচ্ছে।
বাহরিনেও ইরান হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ। সে দেশের সরকার জানিয়েছে, নিরাপত্তার কারণে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সাইরেন বাজানো হচ্ছে।
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ থামাতে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে দরবার করেই চলেছে পশ্চিম এশিয়ার একাধিক দেশ। কিন্তু ট্রাম্প কোনও আলোচনাতেই আগ্রহী নন। তিনি কেবল ইরানের সামরিক পরিকাঠামো ধ্বংসে মনোনিবেশ করে রয়েছেন। একাধিক সূত্র উল্লেখ করে সংবাদসংস্থা রয়টার্স এই তথ্য জানিয়েছে।
শুধু মজা করার জন্যই আরও কয়েক বার ইরানের তেলের প্রধান ঘাঁটি খার্গ দ্বীপে হামলা চালাতে পারে আমেরিকা। এমনটাই দাবি করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজ়কে ট্রাম্প বলেছেন, ‘‘আমরা শুধু মজার ছলেই আরও কয়েক বার খার্গ আক্রমণ করতে পারি।’’ ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ নিয়ে কেন এখনও সমঝোতা সম্ভব হল না? ট্রাম্পের দাবি, তেহরান চুক্তির জন্য প্রস্তুত। তারা যুদ্ধবিরতিই চাইছে। কিন্তু তাদের দেওয়া শর্তগুলি এখনও তাঁর পুরোপুরি পছন্দ হয়নি। ট্রাম্পের কথায়, ‘‘শর্তগুলো এখনও তেমন ভাল হয়নি।’’
ওমানে কর্মরত মার্কিন সরকারি আধিকারিকদের সে দেশ ছাড়ার নির্দেশ দিল আমেরিকার বিদেশ দফতর। বলা হয়েছে, ওমানে জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত নন, এমন মার্কিন আধিকারিকেরা অবিলম্বে সেই দেশ ছাড়বেন। তাঁদের পরিবারকেও ওমান থেকে সরিয়ে আনতে হবে।
সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, রাজধানী রিয়াধ এবং তার পূর্বাঞ্চলে সাতটি ড্রোন ছোড়া হয়েছিল। দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সেগুলিকে প্রতিহত করেছে। এর আগে আরও তিনটি ড্রোন প্রতিহত করার কথা জানায় তারা। অর্থাৎ, হামলা হয়েই চলেছে।