প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
ইরানের হ্যাকারেরা মার্কিন বাহিনীর দু’হাজারেরও বেশি সদস্যের ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নিয়েছে। তা নিয়ে তদন্তও শুরু করেছে পেন্টাগন। দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল-এর একটি প্রতিবেদনে এমনই দাবি করা হয়েছে। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, পেন্টাগনের প্রাথমিক তদন্তে পাওয়া গিয়েছে যে, যে সব তথ্য হাতানো হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে, তা কিছুটা সত্য।
আরবের নিউজ ওয়েবসাইট শাফাক ডট কম-এর প্রতিবেদন উদ্ধৃত করে দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, হান্ডালা (হানজ়ালা) নামে একটি হ্যাকার গ্রুপ এই তথ্য হাতিয়ে নিয়েছে। পশ্চিম এশিয়ায় মোতায়েন ইউএস মেরিনের ২,৩৭৯ জনের তথ্য হাতানো হয়েছে বলে ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। হ্যাকার গ্রুপটি মার্কিন বাহিনীর অন্য সদস্যদেরও তথ্য হাতানোর হুমকি দিয়েছে ইতিমধ্যেই।
শাফাক ডট কমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কোন কোন মেরিনের তথ্য হ্যাক করা হয়েছে, টেলিগ্রাম চ্যানেলে সেই নাম এবং তথ্য বিস্তারিত প্রকাশ করেছে হ্যাকারেরা। সেই সঙ্গে বার্তা দিয়েছে, মার্কিন প্রতিরক্ষার সঙ্গে জড়িত অনেকেরই তথ্য তাদের হাতে রয়েছে। পশ্চিম এশিয়ায় মোতায়েন মার্কিন বাহিনীর সদস্যেরা ইতিমধ্যেই হোয়াট্সঅ্যাপে সতর্কবার্তা পেয়েছেন হান্ডালা গ্রুপের তরফে। সঙ্গে হুমকিও দেওয়া হয়েছে, যে কারা কারা তাদের নজরদারিতে রয়েছেন। কারা কারা নিশানা হতে পারেন।
ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, হ্যাকার দলটির দাবি, মার্কিন বাহিনীর সদস্যদের বাড়ির ঠিকানা, পরিবার, তাঁদের প্রত্যহ কাজকর্মের সময়সূচি, গতিবিধি সব তাদের হাতে রয়েছে। খুব শীঘ্রই সেগুলি প্রকাশ্যে আনা হবে। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান তাঁর সঙ্গে কথা বলেছে। শুধু তা-ই নয়, ট্রাম্প আরও দাবি করেছেন, ইরান তাঁকে জানিয়েছে যে, তাদের অবস্থা শোচনীয়। যে কোনও সময় অর্থনীতি ভেঙে পড়তে পারে। তাই তারা চাইছে হরমুজ়ে যেন আমেরিকা সেনা সরিয়ে নেয়। যদিও ট্রাম্পের এই দাবি খণ্ডন করেছে ইরান।