পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। ছবি: রয়টার্স।
আরও বৃদ্ধি পেল পাকিস্তানের বাণিজ্যিক ঘাটতি। ঘাটতি রয়েছে বিদেশি অর্থ আয় করার ক্ষেত্রেও। আমদানি বৃদ্ধি এবং ক্রমাগত আয় বহির্গমনের জেরে এই সঙ্কটে পড়েছে ভারতের পড়শি দেশ।
সংবাদসংস্থা ‘ডন’-কে দেওয়া পাকিস্তানের স্টেট ব্যাঙ্কের বিবৃতি অনুযায়ী, চলতি আর্থিক বছরের ডিসেম্বর মাসে প্রায় ২৫ কোটি ডলার ঘাটতির সম্মুখীন হয়েছে দেশ। যেখানে একই বছরের নভেম্বর মাসে উদ্বৃত্ত ছিল প্রায় ১০ কোটি ডলারের কাছাকাছি। চলতি আর্থিক বছরে ঘাটতির সংখ্যা পৌঁছে গেল প্রায় ১২০ কোটি ডলারে। বিগত আর্থিক বছরে যে সংখ্যাটা ছিল ১০০ কোটি ডলারের নীচে।
পাকিস্তানের স্টেট ব্যঙ্কের জানায়, দেশের এই আর্থিক সঙ্কট হয়েছে বাণিজ্যিক পরিবর্তনের ফলে। চলতি আর্থিক বছরে দেশের আমদানি খরচ বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫৮০ কোটি ডলার, অথচ রফতানি থেকে আয় দাঁড়িয়ে রয়েছে ২৭৪ কোটি ডলারে।
এ ছাড়াও, পাকিস্তানের স্টেট ব্যঙ্ক জানায় পরিষেবা বিষয়ক খাতে দেশের এই আর্থিক সঙ্কট হয়েছে বাণিজ্যিক পরিবর্তনের ফলে। চলতি আর্থিক বছরে দেশের আমদানি খরচ বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫৮০ কোটি ডলার, অথচ রফতানি থেকে আয় দাঁড়িয়ে রয়েছে ২৭৪ কোটি ডলারে। রফতানি ছিল প্রায় ৯৪ কোটি ডলরের কাছাকাছি। সেই একই খাতে আমদানি খরচ বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৩১ কোটি ডলার। ফলে ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩৭ কোটি ডলারে। যদিও সে দেশের বাইরে কর্মরত মানুষের প্রেরিত অর্থ থেকে দেশে প্রায় ৩৫৯ কোটি ডলার আয় হলেও তা ঘাটতি মেটানোর জন্য পর্যাপ্ত নয়।
এছাড়া চলতি আর্থিক বছরের ডিসেম্বরে প্রায় ৬০ কোটি ডলার দেশছাড়া হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে পাকিস্তানে বিদেশি বিনিয়োগও। বিদেশি বিনিযোগের ক্ষেত্রে প্রায় ১৪ কোটি ডলার দেশছাড়া।