(বাঁ দিক থেকে) ডোনাল্ড ট্রাম্প, শাহবাজ় শরিফ এবং মোজতবা খামেনেই। —ফাইল চিত্র।
আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে দ্বিতীয় দফার বৈঠকও আয়োজন করতে চায় পাকিস্তান। তারা চাইছে, এই বৈঠকটিও ইসলামাবাদেই হোক। পাকিস্তানের দুই আধিকারিক সূত্রে এমনটাই জানাচ্ছে সংবাদসংস্থা এপি। জানা যাচ্ছে, দ্বিতীয় দফার বৈঠক আয়োজন করার জন্য ইতিমধ্যে প্রস্তাবও দিয়ে দিয়েছে পাকিস্তান। তবে এ বিষয়ে আমেরিকা বা ইরান এখনও পর্যন্ত চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্ত জানায়নি ইসলামাবাদকে।
পশ্চিম এশিয়ায় অস্থিরতা কাটাতে ওয়াশিংটন এবং তেহরানের মধ্যে মধ্যস্থতা শুরু করেছে ইসলামাবাদ। আলোচনার সম্ভাবনা তৈরি হওয়ার প্রাথমিক পর্ব থেকেই দৌত্য করছে পাকিস্তান। আমেরিকাও তাদের শর্তাবলি পাকিস্তান মারফতই পাঠিয়েছিল ইরানকে। গত সপ্তাহে আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকেরও আয়োজন করেছিল পাকিস্তান। কিন্তু সেই বৈঠক ভেস্তে গিয়েছে। ইসলামাবাদের হোটেলে প্রায় ২০ ঘণ্টা আলোচনা চলার পরে কোনও সমাধানসূত্র ছাড়াই শেষ হয় বৈঠক।
এরই মধ্যে ফের আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে একপ্রস্ত আলোচনার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। দাবি করা হচ্ছে, গত সপ্তাহের ইসলামাবাদ বৈঠকেই মূল আলোচ্য বিষয়গুলির প্রায় ৮০ শতাংশ ক্ষেত্রে সমঝোতায় পৌঁছে গিয়েছিল দু’দেশ। তবে বাকি অংশটুকু নিয়ে কোনও তাৎক্ষণিক সমাধানসূত্র বেরিয়ে আসেনি। এরই মধ্যে মঙ্গলবার সকালে (ভারতীয় সময়ে) মার্কিন আধিকারিক সূত্রে এপি জানায়, বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দফায় বৈঠকে বসতে পারে দুই দেশ। যদিও দিনক্ষণ এখনও চূড়ান্ত হয়নি।
এই তথ্য প্রকাশ্যে আসার অব্যবহিত পরেই জানা যায়, দ্বিতীয় দফার বৈঠকের আয়োজন করতে চাইছে পাকিস্তান। নাম গোপন রাখার শর্তে (এ বিষয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্যের এক্তিয়ার ছিল না তাঁদের) সংবাদসংস্থা এপি-কে এমনটাই জানিয়েছেন পাকিস্তানি আধিকারিকেরা। ওই আধিকারিকেরা জানান, আমেরিকা এবং ইরান অন্য কোনও জায়গায় আলোচনায় বসতে চায় কি না, তার উপরে নির্ভর করছে পাকিস্তানের প্রস্তাব কার্যকর হবে কি না। তাঁদের দাবি, প্রথম দফার বৈঠক কোনও সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়েছে ঠিকই, তবে এটি ছিল সার্বিক কূটনৈতিক প্রক্রিয়ারই একটি অংশ।