Shehbaz Sharif to Bangladesh

ঢাকায় যাবেন শাহবাজ়-মুনির

মুহাম্মদ ইউনূসের আমলে ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক তলানিতে ঠেকেছিল।

নিজস্ব প্রতিবেদন

শেষ আপডেট: ১৬ মে ২০২৬ ০৯:২৫
Share:

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ় শরিফ। ছবি: রয়টার্স।

চলতি মাসের শেষের দিকে বা আগামী জুনের প্রথমার্ধে চিন সফরে যাওয়ার কথা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের। তিনি দেশে ফেরার পরেই বাংলাদেশে যেতে পারেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ় শরিফ এবং পাক সেনাপ্রধান আসিম মুনির। শরিফ ও মুনিরের সফরে প্রতিরক্ষা-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সহযোগিতা নিয়ে আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে। মনে করা হচ্ছে, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ঢাকা-ইসলামাবাদ চুক্তিও হতে পারে। কূটনৈতিক মহলের একাংশের মতে, আঞ্চলিক রাজনীতিতে শরিফ-মুনিরের বাংলাদেশ সফর অত্যন্ত স্পর্শকাতর বিষয়। তাই না আঁচালে বিশ্বাস নেই। তবে শরিফ এবং মুনিরের বাংলাদেশ সফর বাস্তবায়িত হলে তা দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে একটি তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা হবে।

মুহাম্মদ ইউনূসের আমলে ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক তলানিতে ঠেকেছিল। গত ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরে সম্পর্কের ফাটল মেরামতির কাজ শুরু হয়েছে। কিন্তু কূটনীতিকদের একাংশের মতে, বাংলাদেশ সরকারের বিদেশনীতিতে ভারতের চেয়েও চিনের গুরুত্ব ক্রমশ বাড়ছে। গুরুত্ব বাড়ছে পাকিস্তানেরও। চিন থেকে তারেক ফিরলে তিন দিনের সফরে শরিফ এবং মুনির ঢাকা যেতে পারেন বলে সূত্রের খবর। ওই সূত্রটি জানাচ্ছে, শরিফ ও মুনিরের বাংলাদেশ সফরে বিশেষ গুরুত্ব পেতে পারে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্র। বাণিজ্য, আঞ্চলিক সংযোগ এবং প্রযুক্তিগত সহায়তাও অগ্রাধিকারের তালিকায় রয়েছে।

পাক প্রধানমন্ত্রী ও সেনাপ্রধানের বাংলাদেশ সফরের অন্যতম বড় চমক হতে পারে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি।এই চুক্তির আওতায় থাকতে পারেবাংলাদেশ অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরি (বিওএফ)-এর আধুনিকীকরণ। এই কাজে পাক সেনা সরাসরি সহায়তা করবে বলে মনে করা হচ্ছে। দ্বিতীয়ত, বাংলাদেশেই আধুনিক ও শক্তিশালী সামরিক সরঞ্জাম যাতে নির্মাণ করা যায়, সেই লক্ষ্যে কাজ করবে দুই দেশ। তৃতীয়ত, ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি। এই সহযোগিতার অধীনে বাংলাদেশে আধুনিক ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রযুক্তিগত সহায়তা ও উৎপাদনের পথ প্রশস্ত হবে।

কূটনীতিকদের একাংশের মতে, শরিফ এবং মুনিরের বাংলাদেশ সফরে ঢাকা-ইসলামাবাদ নৈকট্য আরও নিবিড় হবে। বাংলাদেশ সম্পর্কে ওয়াকিবহাল এক কূটনীতিকের কথায়, “মুহাম্মদ ইউনূসের জমানায় বাংলাদেশ-পাকিস্তান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক অনেকটাই নিবিড় হয়েছিল। তারেক রহমান সরকার সেই ধারাই অনুসরণ করছে। পাকিস্তানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরির জন্য বাংলাদেশের অভ্যন্তরেই সরকারের উপরে প্রবল চাপ রয়েছে। তা এড়িয়ে তারেক কতটা ভারসাম্যের বিদেশনীতি বজায় রাখতে পারেন, ভারত সে দিকেই নজর রাখবে।”

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন