Russia-Ukraine Conflict

আমেরিকার নীরবতায় উৎসাহ পাচ্ছেন পুতিন! কিভে পর পর দু’রাত ধরে রুশ হানায় অনুযোগ জ়েলেনস্কির, বার্তা ইউরোপকেও

ইউক্রেনের রাজধানী কিভে পর পর দু’রাত হামলা চালিয়েছে রুশ বাহিনী। কিভে আছড়ে পড়েছে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন। রাশিয়ার এই হামলার পরেও আমেরিকা কেন চুপ রয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জ়েলেনস্কি।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৫ মে ২০২৫ ১৮:৩০
Share:

পর পর রুশ হামলার মাঝে আমেরিকার নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন ইউক্রেনের। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

রাশিয়ার পর পর হামলা নিয়ে কেন চুপ আমেরিকা? প্রশ্ন তুললেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জ়েলেনস্কি। যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনাকে আরও জটিল করে তুলেছে ইউক্রেনের উপর আক্রমণ আরও বৃদ্ধি করেছে রুশ বাহিনী। পর পর দু’রাত একের পর এক ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র আছড়ে পড়েছে ইউক্রেনের রাজধানী কিভে। গত তিন বছরের যুদ্ধে ইউক্রেনের উপর এটিই সবচেয়ে বড় রুশ হানা। রুশ হামলায় অন্তত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি ইউক্রেনের। রাজধানী কিভে অন্তত তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

Advertisement

রাশিয়ার উপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা চাপানোর দাবি তুলেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট। জ়েলেনস্কি সমাজমাধ্যমে লিখেছেন, “সন্ত্রাসী রাশিয়ার প্রতিটি হামলাই তাদের বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা চাপানোর জন্য যথেষ্ট। রাশিয়া এই যুদ্ধকে টেনে টেনে লম্বা করছে এবং প্রতিদিন হত্যালীলা চালিয়ে যাচ্ছে। সপ্তাহ শেষে গোটা বিশ্ব ছুটি কাটাবে, কিন্তু এই যুদ্ধ চলতেই থাকবে... আমেরিকার নীরবতা, বিশ্বের অন্য রাষ্ট্রগুলির চুপ থাকায় (ভ্লাদিমির) পুতিন আরও উৎসাহ পাচ্ছেন।” ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের বক্তব্য, রাশিয়ার উপর আরও চাপ না দিলে এই ‘বর্বরতা’ বন্ধ করা যাবে না! রাশিয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা চাপালেই এই হত্যালীলা বন্ধ হবে বলে মনে করছেন তিনি। এই পরিস্থিতি আমেরিকা, ইউরোপ এবং বিশ্বের অন্য শান্তিকামী রাষ্ট্রগুলিকে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে হবে বলে দাবি ইউক্রেনের।

সংবাদমাধ্যম ‘দ্য গার্ডিয়ান’ অনুসারে, রবিবার রাশিয়া জানিয়েছে, তারা পূর্ব ইউক্রেনের ডনেৎস্কের একটি গ্রাম রোমানিভকা দখল করে নিয়েছে। বস্তুত, ইউক্রেনের অন্তর্গত হলেও ডনেৎস্ক এবং লুহানস্ক অঞ্চলে রুশ জাতিগোষ্ঠীই সংখ্যাগরিষ্ঠ। দীর্ঘ দিন ধরেই সেখানে সক্রিয় মস্কোপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলি।

Advertisement

২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ইউক্রেন এবং রাশিয়ার মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়। যুদ্ধ শুরুর তিন বছর পরে গত সপ্তাহে প্রথম বার কোনও মধ্যস্থতাকারী ছাড়াই মুখোমুখি আলোচনায় বসেছিল দু’পক্ষ। তুরস্কের ইস্তানবুলে ওই বৈঠকে যুদ্ধবিরতি নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত না হলেও দু’পক্ষই পর্যায়ক্রমে ১০০০ জন করে যুদ্ধবন্দি বিনিময়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। তা মেনে নিয়ে যুদ্ধবন্দি বিনিময়ের প্রক্রিয়া শুরু করে রাশিয়া এবং ইউক্রেন। এরই মধ্যে ইউক্রেনের উপর আক্রমণও চালিয়ে যাচ্ছে রুশ বাহিনী। যদিও এর মধ্যে বন্দিবিনিময় প্রক্রিয়াও চলেছে। সংবাদ সংস্থা রয়টার্স অনুসারে, রবিবারের মধ্যে ১০০০ বন্দিবিনিয়ম প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে দু’দেশের মধ্যে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement