নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে উলফ ক্রিস্টারসন। ছবি: রয়টার্স।
১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কার নিতে সুইডেনে যেতে পারেননি কবিগুরু। তবে ১৯২১ সালে সুইডেন সফরের সময়ে তাঁকে অভ্যর্থনা জানিয়েছিলেন সে দেশের রাজা পঞ্চম গুস্তাভ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সুইডেন সফরের সময়ে দু’দেশের শীর্ষ নেতার উপহার বিনিময়ে রইল রবীন্দ্র-স্মৃতির উদ্যাপন। আজ সুইডেনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হাতে দু’টি ছোট কবিতার প্রতিলিপি তুলে দেন সে দেশের প্রধানমন্ত্রী উলফ ক্রিস্টারসন। সঙ্গে ছিল ১৯২১ সালে রবীন্দ্রনাথের উপসালা বিশ্ববিদ্যালয় সফরের সময়ে তোলা তাঁর একটি ছবি। ১৯২১ ও ১৯২৬ সালে সুইডেন সফরের সময়ে ওই কবিতা দু’টি লিখেছিলেন রবীন্দ্রনাথ।
অন্য দিকে মোদী ক্রিস্টারসনকে উপহার দেন কবিগুরুর রচনার একটি সংকলন। সেইসঙ্গে শান্তিনিকেতনে হস্তশিল্পীদের তৈরি একটি বিশেষ ব্যাগ। শিল্পীদের অনুপ্রাণিত করতে কবিগুরুর বেছে নেওয়া নকশাই রয়েছে সেই ব্যাগে।
প্রধানমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গে ভোটের আগে খেয়েছিলেন ঝালমুড়ি। তা নিয়ে রাজনৈতিক তরজা হয়েছিল বিস্তর। ভোটে জয়ের পরে তাঁর দল রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিলি করেছিল ঝালমুড়ি। পরে নেদারল্যান্ডসে গিয়ে প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গে কথা বলার সময়ে পাঁচ রাজ্যে ভোটের প্রসঙ্গ উঠতেই ঝালমুড়ির কথা বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এ বার সুইডেনেও তাঁকে অভ্যর্থনার সময়ে দেখা গেল বাঙালি সংস্কৃতির ঝলক। সমাজমাধ্যমে মোদীর পোস্ট করা ভিডিয়োয় দেখা যাচ্ছে, তাঁকে বরণ করে নিচ্ছেন মহিলারা। দেওয়া হচ্ছে উলুধ্বনি। তুলে ধরা হয়েছে দেবী দুর্গার হাতে অসুরবধের দৃশ্যও। পরে মোদী তাঁদের উদ্দেশে বাংলায় বলছেন, ‘‘ভাল আছেন?’’ মোদীর কথায়, ‘‘বাঙালি সংস্কৃতি সারা বিশ্বে জনপ্রিয়। সুইডেনও ব্যতিক্রম নয়। প্রবাসী ভারতীয়দের তরফে অভ্যর্থনার সময়েও গৌরবময় বাঙালি সংস্কৃতির ঝলক দেখা গেল। প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টারসনও হাজির ছিলেন।’’ সুইডেনবাসী বাঙালি নিবেদিতা বলেন, ‘‘সুইডেনে আমরা আমাদের সংস্কৃতিকে রক্ষা করার চেষ্টা করি। যখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আমাদের বাংলায় সম্ভাষণ করলেন তখন মনে হল স্বপ্নপূরণ হয়েছে। ঐতিহাসিক জয়ের জন্য আমরা তাঁকে অভিনন্দন জানাই।’’
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে