অপহৃতদের উদ্ধারের বিষয়ে তেহরানের ভারতীয় দূতাবাসের তরফে ইরানের প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। —প্রতীকী চিত্র।
তিন যুবকের পরিকল্পনা ছিল, অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে কাজের অনুমতি (ওয়ার্ক পারমিট) নিয়ে সেখানে পাকাপাকি ভাবে থেকে যাওয়ার। সেই মতো পঞ্জাবের এক এজেন্টের সঙ্গে যোগাযোগও করেন তাঁরা। সেই এজেন্টের পরামর্শেই অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার আগে তেহরান পৌঁছেছিলেন যুবকেরা। কিন্তু তারপরই তাঁদের অপহরণ করা হয় বলে জানাচ্ছেন নিখোঁজদের পরিজন। ইতিমধ্যেই, ওই অপহৃতদের উদ্ধারের বিষয়ে তেহরানের ভারতীয় দূতাবাসের তরফে ইরানের প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে।
অপহৃতরা পঞ্জাবের বাসিন্দা। তিন যুবকের পরিবারের অভিযোগ, তাঁদের মুক্তিপণ হিসেবে মোটা অঙ্ক দাবি করা হয়েছে। সেই সঙ্গে তিন যুবকের একাধিক ভিডিয়োও পাঠানো হয়েছে। সেখানে দেখা গিয়েছে, অপহৃতদের দু’হাত বাঁধা, তাঁদের শরীরের বিভিন্ন অংশে কাটা ও কালশিটে রয়েছে। পরিবারগুলির দাবি, ১১ মে’র পর থেকে তাঁদের সঙ্গে আর যোগাযোগ করা যায়নি। যে এজেন্টের মাধ্যমে ওই যুবকেরা ইরানে পৌঁছেছিলেন, তাঁর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ জানিয়েছে তিন অপহৃতের পরিবার। পঞ্জাবের হোশিয়ারপুরের বাসিন্দা সেই এজেন্ট বেপাত্তা বলে জানিয়েছে পুলিশ। অপহৃতদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনতে তাঁদের পরিবার পঞ্জাব মন্ত্রিসভার সদস্য কূলদীপ সিংহ ঢালিওয়ালের সঙ্গে দেখা করেন।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে