ব্যাঙ্কক-কাণ্ডে ধৃত দুই ভারতীয়

ব্যাঙ্কক বিস্ফোরণ-কাণ্ডে এ বার নাম জড়াল দুই ভারতীয়ের। তাই পুলিশ জানিয়েছে, বিস্ফোরণে জড়িত এক সন্দেহভাজনের সঙ্গে কথা বলতে দেখা গিয়েছিল ওই দুই ভারতীয়কে। সিসিটিভি ফুটেজ থেকে সেই প্রমাণ পেয়েছে পুলিশ।

Advertisement

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ০২:১১
Share:

ব্যাঙ্কক বিস্ফোরণ-কাণ্ডে এ বার নাম জড়াল দুই ভারতীয়ের। তাই পুলিশ জানিয়েছে, বিস্ফোরণে জড়িত এক সন্দেহভাজনের সঙ্গে কথা বলতে দেখা গিয়েছিল ওই দুই ভারতীয়কে। সিসিটিভি ফুটেজ থেকে সেই প্রমাণ পেয়েছে পুলিশ। তারা আরও জানাচ্ছে, যে ফ্ল্যাট থেকে বিস্ফোরক উদ্ধার হয়েছিল, ওই দু’জন ঠিক তার পাশের ফ্ল্যাটেই থাকতেন। কাল রাতে গ্রেফতার করা হয় ওই দু’জনকে।

Advertisement

১৭ অগস্ট জোরালো বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল ব্যাঙ্ককের প্রাণকেন্দ্র রাচাপ্রাসং এলাকা। জনপ্রিয় এরাওয়ান ব্রহ্মা মন্দিরের সামনে হয়েছিল ভয়ঙ্কর সেই বিস্ফোরণ। কুড়ি জনের মৃত্যু হয় সেই ঘটনায়। আহত হন শতাধিক। হতাহতের মধ্যে ছিলেন বহু বিদেশিও। তবু কোনও ভারতীয় সেই তালিকায় ছিলেন না। তাই পুলিশের অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার জেনারেল প্রায়ুত থওর্নসিরি জানান, কাল রাত ন’টা নাগাদ প্রায় ২০ জনের দল নিয়ে মিনবুড়ি এলাকার একটি বহুতল আবাসনে হানা দেন তাঁরা।

তার পরই ওই আবাসন থেকে হেফাজতে নেওয়া হয় ওই দুই ভারতীয়কে। তাই পুলিশ অবশ্য তাঁদের নাম-পরিচয় নিয়ে মুখ খুলতে চায়নি। ওই দুই ভারতীয়কে ধরে সেনা শিবিরে নিয়ে গিয়েছিল পুলিশ। সেখানেই বিস্ফোরণ-কাণ্ড নিয়ে নানা প্রশ্ন করা হয় ওই দু’জনকে। তাইল্যান্ডের সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, জেরার পরে ছেড়ে দেওয়া হয় ওই দুই ভারতীয়কে। তবে পুলিশ সরকারি ভাবে এ নিয়ে কিছুই বলেনি।

Advertisement

বিষয়টি নিয়ে অবশ্য নড়েচড়ে বসেছে নয়াদিল্লি। ভারতের বিদেশ মন্ত্রক তাইল্যান্ডে ভারতীয় দূতাবাসের কাছে গোটা ঘটনা সম্পর্কে বিশদ জানতে চেয়েছে। ব্যাঙ্কক বিস্ফোরণ-কাণ্ডে মোট ১০ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে পুলিশ। জড়িত সন্দেহে দুই বিদেশিকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে।

ধৃতদের মধ্যে এক জন চিনের নাগরিক। বোমা যে সে বানিয়েছিল, তা নাকি পুলিশের কাছে ইতিমধ্যেই স্বীকার করেছে সেই ব্যক্তি। তবে যে হলুদ টি শার্ট পরা যুবক ব্রহ্মা মন্দিরের সামনে বিস্ফোরক বোঝাই ব্যাগ রেখে এসেছিল, তাকে ধরতে পারেনি পুলিশ। তার ছবিই সবার আগে প্রকাশ করা হয়েছিল। ওই যুবক বিদেশে পালিয়ে যেতে পারে বলে সন্দেহ পুলিশের।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement