US Iran Tensions

নিশানায় সংযুক্ত আরব আমিরশাহি! পর পর ১৭টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাল ইরান, সঙ্গে শতাধিক ড্রোন হানাও

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার পর থেকে সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে মোট চার জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। তাঁরা প্রত্যেকেই বিদেশি নাগরিক। জানা যাচ্ছে, নিহতদের মধ্যে পাকিস্তান, নেপাল এবং বাংলাদেশের নাগরিক রয়েছেন।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৮ মার্চ ২০২৬ ২০:০০
Share:

পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতি। —ফাইল চিত্র।

সংযুক্ত আরব আমিরশাহিকে লক্ষ্য করে পর পর ১৭টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান। একই সঙ্গে ১১৭টি ড্রোন হামলাও চালিয়েছে তারা। এমনটাই অভিযোগ তুলল সংযুক্ত আরব আমিরশাহির প্রশাসন। পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির এক সপ্তাহের বেশি সময় অতিক্রান্ত। ঘটনাচক্রে, শনিবারই প্রতিবেশী দেশগুলির কাছে ক্ষমা চেয়েছে ইরান। এরই মধ্যে রবিবার ফের সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে হামলা চালাল তেহরান।

Advertisement

সংযুক্ত আরব আমিরশাহির প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের দাবি, রবিবার তাদের দিকে ১৭টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান। তার মধ্যে ১৬টি ক্ষেপণাস্ত্রই আছড়ে পড়ার আগে ধ্বংস করা হয়েছে। একটি ক্ষেপণাস্ত্র সমুদ্রে গিয়ে পড়েছে। যে ১১৭টি ড্রোন ছুড়েছে ইরান, তার মধ্যেও সিংহ ভাগ আছ়ড়ে পড়ার আগে ধ্বংস করেছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি। তবে চারটি ড্রোন আটকাতে পারেনি তারা। তবে এই চারটি ড্রোন হানায় কোনও হতাহতের খবর মেলেনি।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার পর থেকে সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে মোট চার জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। তাঁরা প্রত্যেকেই বিদেশি নাগরিক। জানা যাচ্ছে, নিহতদের মধ্যে পাকিস্তান, নেপাল এবং বাংলাদেশের নাগরিক রয়েছেন। পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে সংযুক্ত আরব আমিরশাহিকে লক্ষ্য করে মোট ২৩৮টি ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান। এ ছাড়া আটটি ক্রুজ় ক্ষেপণাস্ত্র এবং ১৪২২ ড্রোন হামলাও চালিয়েছে। যদিও এগুলির মধ্যে বেশির ভাগ হামলাই প্রতিহত করেছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি।

Advertisement

আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের বিরুদ্ধে সামরিক সংঘাতে নেমে উপসাগরীয় দেশগুলিতে মার্কিন সেনাঘাঁটি লক্ষ্য করে একের পর এক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান। প্রেসিডেন্ট পেজ়েশকিয়ান উপসাগরীয় দেশগুলিতে হামলা না চালানোর প্রতিশ্রুতি দেন শনিবার। শুধু তা-ই নয়, সামরিক সংঘাতের শুরু থেকে উপসাগরীয় যে সব দেশে ইরান হামলা চালিয়েছে, তার জন্য ‘ক্ষমা’ও চেয়ে নেন তিনি। পেজ়েশকিয়ান এ-ও জানান, ওই প্রতিবেশী দেশগুলি আমেরিকাকে সাহায্য না-করলে ইরান তাদের উপরে আর হামলা চালাবে না।

তাঁর ওই বয়ান ঘিরে বিতর্ক দানা বাঁধে ইরানের অন্দরেই। ওই বয়ানের পর নিজের দেশের ভিতরেই চাপের মুখে পড়তে হয় ইরানের প্রেসিডেন্টকে। নিজের বয়ান থেকে ‘ক্ষমা’ শব্দটি সরিয়ে দিয়ে ফের এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে প্রেসিডেন্ট হুঁশিয়ারি দেন, ‘‘ইরানের উপর হামলা হলে, চুপ করে থাকব না। প্রত্যাঘাত হবেই।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement