UN on Myanmar army

শান্তি ফেরেনি মায়ানমারে, ছ’মাসেই ৭০২ সাধারণ নাগরিককে খুন করেছে সেনা! অভিযোগ রাষ্ট্রপুঞ্জের রিপোর্টে

রাষ্ট্রপুঞ্জের রিপোর্টে দাবি, গত বছরের অগস্ট থেকে চলতি বছরের জানুয়ারিতে ভোটের ফলপ্রকাশ পর্যন্ত ছ’মাসের মধ্যে মায়নমার সেনা ২২৪ জন মহিলা এবং ১৫৩ জন শিশু-সহ ৭০২ জন সাধারণ নাগরিককে খুন করেছে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৩ জুন ২০২৬ ১৬:৪০
Share:

মায়ানমার সেনাবাহিনী। ছবি: রয়টার্স।

গৃহযুদ্ধ বিধ্বস্ত মায়ানমারে জুন্টাসেনার নৃশংসতার নতুন কাহিনি তুলে ধরল রাষ্ট্রপুঞ্জের রিপোর্ট। তাতে দাবি করা হয়েছে, গত বছরের অগস্টে ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পর থেকে চলতি বছরের জানুয়ারিতে ভোটের ফলপ্রকাশ পর্যন্ত ছ’মাসের সময়সীমার মধ্যে সে দেশের সেনাবাহিনী অন্তত ৭০২ জন অসামরিক নাগরিককে খুন করেছে।

Advertisement

নিহতদের মধ্যে ২২৪ জন মহিলা এবং ১৫৩ জন শিশু বলে জানানো হয়েছে ওই রিপোর্টে। বিভিন্ন সূত্র যাচাই করে নিহতদের পরিচয় সম্পর্কেও নিঃসন্দেহ হয়েছে রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার কমিশনের (ইউএনএইচআরসি) তদন্তকারী দল। সাধারণ নির্বাচনে প্রাক্তন সেনাকর্তা (বর্তমানে মায়ানমারের প্রেসিডেন্ট) মিন আউং হ্লাইং-এর দল জয়লাভ করার পরেও পরিস্থিতির কোনও উন্নতি হয়নি বলেও ওই রিপোর্ট জানাচ্ছে।

সাধারণ নির্বাচনের পরে গত ১০ এপ্রিল মায়ানমারে নতুন সরকার শপথ নিয়েছিল। কিন্তু এক সপ্তাহের মধ্যেই নতুন করে অশান্তির মেঘ জমে ভারতের পড়শি দেশে। রাখাইন প্রদেশে সক্রিয় আরাকান আর্মি এবং চিন প্রদেশে সক্রিয় তাদের সহযোগী জুন্টাবিরোধী নতুন জোট ‘চিন ব্রাদারহুড’-এর শরিক ‘ইয়াও ডিফেন্স ফোর্স’, সাগাইন অঞ্চলে সক্রিয় ‘ইয়াও আর্মি’ এবং ‘মনিওয়া পিপল্‌স ডিফেন্স ফোর্স’ নতুন করে জুন্টাসেনার বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা করে। এর পরে গত দু’মাসে ওই দুই প্রদেশে অসামরিক জনবসতি লক্ষ্য করে জুন্টাফৌজ একাধিক বার বিমান হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ। রাষ্ট্রপুঞ্জের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ‘ইউনাইটেড নেশনস হাই কমিশনার ফর রিফিউজিস’ (ইউএনএইচসিআর)-এর দু’মাস আগের একটি রিপোর্ট জানিয়েছিল, যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকা থেকে নৌকায় পালানোর সময় অন্তত ৯০০ জন রোহিঙ্গা শরণার্থী বঙ্গোপসাগরে জলে ডুবে মারা গিয়েছেন বা নিখোঁজ হয়েছেন!

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement