আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
দু’মাস আগে মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতরের নাম বদলে ‘যুদ্ধের দফতর’ করেছিলেন তিনি। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ বার সেই দফতরের বার্ষিক বাজেট ৫০ শতাংশ বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিলেন। আর সেই সঙ্গেই উস্কে দিলেন ভেনেজ়ুয়েলা-কাণ্ডের পরে দানা বাঁধা সেই জল্পনা— পেন্টাগনের পরবর্তী লক্ষ্য কে?
মার্কিন কংগ্রেস বক্তৃতার সময় বুধবার ট্রাম্প ‘স্বপ্নের সেনাবাহিনী’ গড়ার অঙ্গীকার করেন। তিনি বলেন, ‘‘এই স্বপ্নপূরণের জন্য ২০২৭ সালের জন্য সামরিক খাতে ব্যয় বাড়িয়ে ১.৫ ট্রিলিয়ন ডলার (দেড় লক্ষ কোটি ডলার অর্থাৎ প্রায় ১৩৬ লক্ষ কোটি টাকা) করা প্রয়োজন।’’ ডিসেম্বরে মার্কিন কংগ্রেস ২০২৬ সালের জন্য ৯০১ বিলিয়ন ডলারের (প্রায় ৮১ লক্ষ কোটি টাকা) বাজেট অনুমোদন করেছিল। ট্রাম্পের আবেদন কংগ্রেসের অনুমোদন পেলে পরবর্তী বছরে আমেরিকার সামরিক খাতে ব্যয়বরাদ্দ ৫০ শতাংশ বাড়বে।
গত ডিসেম্বরে মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতরের নাম বদলে ‘যুদ্ধের দফতর’ করার সময় ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘‘আমেরিকা দু’টি বিশ্বযুদ্ধ এবং বহু যুদ্ধে জয়ী হওয়ার পরে দেশের কোনও দফতরের নামের আগে প্রতিরক্ষা শব্দটি থাকতে পারে না। সে ক্ষেত্রে ‘যুদ্ধের দফতর’ শব্দবন্ধটি ব্যবহৃত হলে তা অনেক জোরালো হবে।’’ ঘটনাচক্রে, ট্রাম্পের ওই পদক্ষেপের কিছু দিন বিশ্ব জুড়ে তৎপরতা বেড়েছে পেন্টাগনের। ইরানের পরমাণু কেন্দ্রে বাঙ্কার ব্লাস্টার বোমা ফেলেছে মার্কিন ফৌজ। ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে সিরিয়ার জঙ্গি ডেরায়। সেই তৎপরতার সাম্প্রতিকতম উদাহরণ ভেনেজ়ুয়েলায় কমান্ডো অভিযান চালিয়ে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ এবং অতলান্তিক মহাসাগরে রুশ তৈলবাহী জাহাজ বেলা-১ দখল।