Iran Protest

কাউকে মৃত্যুদণ্ড দিয়ে সব সীমা ছাড়াবেন না! ইরানকে হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের, বিক্ষোভকারী যুবকের ফাঁসির সাজা কার্যকর বুধবারই?

খামেনেইয়ের বিরুদ্ধে স্লোগান দেওয়ার জন্য গত ৮ জানুয়ারি গ্রেফতার করা হয় ইরফান সোলতানি নামে ২৬ বছর বয়সি এক যুবককে। বুধবার তাঁর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হতে পারে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ ১২:৪২
Share:

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। —ফাইল চিত্র।

বুধবারই ইরান প্রশাসন কার্যকর করতে পারে তেহরানের বিক্ষোভকারী যুবকের মৃত্যুদণ্ড। তা নিয়ে এ বার ফের ইরানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে রাখলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুঝিয়ে দিয়েছেন, কোনও বিক্ষোভকারীকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলে তার পরিণাম ভাল হবে না।

Advertisement

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জানান, কোনও বিক্ষোভকারীকে ইরান মৃত্যুদণ্ড দিলে তেহরানের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করবে আমেরিকা। প্রতিটি বিষয়েরই যে একটা সীমা থাকে, তা বুঝিয়ে দিতে চেয়েছেন ট্রাম্প। মার্কিন প্রেসিডেন্টের হুঁশিয়ারি, বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুদণ্ড দিলে সেই সীমা পার করবে ইরান। যদিও তিনি-এও জানান, কোনও বিক্ষোভকারীকে ইরান মৃত্যুদণ্ড দিচ্ছে বলে এখনও তিনি শোনেননি।

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের বিরুদ্ধে গত ২৮ ডিসেম্বর থেকে বিক্ষোভ চলছে পশ্চিম এশিয়ার এই দেশে। খামেনেইয়ের বিরুদ্ধে স্লোগান দেওয়ার জন্য গত ৮ জানুয়ারি গ্রেফতার করা হয় ইরফান সোলতানি নামে ২৬ বছর বয়সি এক যুবককে। তেহরান শহরতলির বাসিন্দা ওই যুবককে বন্দি করে রেখেছে ইরান প্রশাসন। গত ১১ জানুয়ারি ওই যুবকের পরিবারকে মৃত্যুদণ্ডের সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। ইরানের এক মানবাধিকার সংগঠনের দাবি, বুধবারই ইরফানকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে তারা।

Advertisement

মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলির অভিযোগ, সোলাতানিকে কোনও আইনজীবী দেওয়া হয়নি। একপ্রকার বিনা বিচারেই তাঁর মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। বন্দি হওয়ার পর থেকে মাত্র এক বার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে পেরেছেন ওই যুবক। তা-ও মাত্র ১০ মিনিটের জন্য। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিক্ষোভকারীদের সমর্থনের বার্তা দিয়েছেন ট্রাম্প। মঙ্গলবার ট্রাম্প তাঁর সমাজমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ ইরানে বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার বার্তা দেন। এ-ও বলেন, তাঁদের সাহায্য করবেন। পাশাপাশি, ইরান সরকারের সঙ্গে সব আলোচনা বাতিল করা হয়েছে বলে জানান ট্রাম্প। তিনি আরও জানান, যত ক্ষণ না বিক্ষোভকারীদের হত্যা বন্ধ হচ্ছে, তত ক্ষণ সব আলোচনা বন্ধ থাকবে।

মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ ক্রমে দেশের ধর্মীয় শাসনের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক আন্দোলনের রূপ নেয়। খামেনেইয়ের অপসারণ চেয়ে রাস্তায় নামেন হাজার হাজার মানুষ। বিক্ষোভ দমন করতে কঠোর হয় প্রশাসনও। বিক্ষোভকারীদের উপর নির্বিচারে গুলি চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ। প্রতিদিনই বৃদ্ধি পাচ্ছে নিহতের সংখ্যা। এখনও পর্যন্ত ২৪০৩ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। বিক্ষোভকারীদের উপর যথেচ্ছ দমনপীড়নের অভিযোগও উঠে আসছে।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement