জ়োহরান মামদানি। — ফাইল চিত্র।
আগামী কাল, বছরের প্রথম দিনে, নিউ ইয়র্কের মেয়র পদে শপথ নেবেন জ়োহরান মামদানি। গত একশো বছরে এ শহরের সর্বকনিষ্ঠ মেয়র তিনিই।
গত ৪ নভেম্বর দুই হেভিওয়েট প্রার্থীকে হারিয়ে মেয়র নির্বাচিত হন ভারতীয় বংশোদ্ভূত, ৩৪ বছর বয়সি মামদানি। কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দেশের বৃহত্তম শহরে সাধারণ মানুষের জন্য সাশ্রয়ী জীবনযাপনের নানা ‘উপায়’ বাতলেই ভোটে জিতেছেন তিনি। ডিসেম্বরের গোড়ায় এক সাংবাদিক বৈঠকে মামদানি বলেছিলেন, “আমি নিউ ইয়র্কের মানুষের জন্য সেরাদের নিয়ে প্রশাসনিক টিম তৈরি করছি। কারণ তাঁদের নেওয়া সিদ্ধান্তই আপনাদের জীবনযাপন সহজ ও স্বচ্ছন্দকরে তুলবে।”
নির্বাচনের ফল প্রকাশিত হওয়ার পরে গত দু’মাস ধরে তাঁর প্রশাসনিক টিম সাজিয়েছেন মামদানি। বেশির ভাগ শীর্ষ পদেই রয়েছেন মহিলারা। এবং ‘সোশ্যালিস্ট’ হিসেবে পরিচিত মামদানির বেশ কিছু ঘনিষ্ঠ বামপন্থী কূটনীতিক ও প্রশাসকেরাও। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মামদানি-টিমের এক সদস্য বললেন, “নব-নির্বাচিত মেয়র চাইছেন, একটা বড় মাপের জোট বানিয়ে তাঁর দল সাজাতে। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, কট্টর বামপন্থীরাই সেখানে ভিড় জমিয়েছেন।”
মামদানির বিরুদ্ধে লাগাতার প্রচার চালিয়ে ছিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এমনকি, মামদানির উদ্দেশে ব্যবহার করেছিলেন নানা অপশব্দ, মামদানি জিতলে নিউ ইয়র্কের জন্য বরাদ্দ কেন্দ্রীয় তহবিলে কোপ পড়বে, এমন হুমকিও দিয়েছিলেন। মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পরেপরেই অবশ্য হোয়াইট হাউসে গিয়ে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক করেন মামদানি। সেই বৈঠকে সৌজন্যের কোনও ঘাটতি অবশ্য ছিল না। শপথ নেওয়ার আগে, গত কয়েক সপ্তাহে ধরে, নানাবিধ কর্মসূচি ছিল মামদানির। আন্দোলনরত স্টারবাকস কর্মীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন, ঘর গরম রাখার ব্যবস্থা নেই যে সব কম পয়সার ভাড়াবাড়িতে, সেখানকার বাসিন্দাদের হট চকলেট বানিয়ে খাইয়েছেন, এবং বারবার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, নিম্ন ও নিম্নমধ্যবিত্ত নিউ ইয়র্কবাসীর কথা মাথায় রেখেই মেয়রের দায়িত্বপালন করবেন।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে