রংমিলান্তি পোশাকে খড়দহের গণেশ পুজোয় কথা-এভি, সাহেব-সুস্মিতাকে দেখতে ভিড় ভক্তদের
কেবল মায়ানগরী মুম্বই নয়, শহর কলকাতার অলিগলিও মেতে উঠেছে গণপতির আরাধনায়। বুধবার, ২৭ অগস্ট গণেশ চতুর্থী। এ বছর খড়দহের 'আমরা'র গণপতি উৎসব পা দিল তাদের ১৫ বছরে।
এই বিশেষ অনুষ্ঠান উপলক্ষেই সেখানে উপস্থিত ছিলেন ‘কথা’ ধারাবাহিকের দুই অভিনেতা সাহেব ভট্টাচার্য এবং সুস্মিতা দে। বিকেল থেকেই মণ্ডপ চত্বরে ভিড় অনুরাগীদের। অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে তাঁরা এলেন। ফিতে কাটলেন। প্রদীপ জ্বালালেন এবং শেষে যেন মিশে গেলেন ভক্তদের সঙ্গে।
কেমন কাটল সময়টা? সাহেব এবং সুস্মিতার দু’জনের কথাতেই উচ্ছ্বাসের সুর। অভিনেত্রী বললেন, “খুব ভাল লেগেছে। এত মানুষের ভালবাসা ও আশীর্বাদ রয়েছে আমাদের সঙ্গে। একজন বয়স্কা এসে জানান, তিনি নাকি না খেয়ে ‘কথা’ দেখেন। এগুলিই তো আশীর্বাদ।”
সাহেবের কথায়, “গতকাল খড়দহে গিয়ে সম্পূর্ণ পুজোর আমেজটা উপভোগ করলাম। ওখানে গিয়ে যে অভ্যর্থনাটা পেলাম, তা অনবদ্য। বিশেষ করে আমাদের ঘিরে মা-কাকিমারা সাধারণত মজা করেই থাকেন। নিজেদের ছেলে-মেয়ের মতো শাসনও করেন তাঁরা। এই সবই কাল হয়েছে। দর্শকদের সঙ্গে বোধহয় এমনভাবে প্রথম আলাপ জমল।”
গণেশ পুজো যেন উৎসবের ঢাকে কাঠি পড়ে যাওয়ারই সমান। আর পুজোর আমেজ শাড়ি-পাঞ্জাবি ছাড়া অসম্পূর্ণ।
আরও পড়ুন:
এ দিন রংমিলান্তি পোশাকে ধরা দিলেন ‘কথা’ ধারাবাহিকের প্রিয় ‘কথা’ ও ‘এভি’। সাহেবের পরনে ছিল লাল পাঞ্জাবি। লাল রঙা শাড়ি এবং পরিমিত রূপটানেই অপরূপা হয়ে উঠেছিলেন সুস্মিতা।
দর্শকমহলে ‘কথা’ ধারাবাহিকের জনপ্রিয়তা আসলেই আকাশছোঁয়া। প্রিয় তারকা জুটিকে সামনে থেকে দেখতে মুখিয়ে ছিলেন সকলেই।
এ দিন সাহেব এবং সুস্মিতাকে ঘিরে ভক্তদের উন্মাদনাটা এই ছবিতেই স্পষ্ট।
দুই তারকা নিরাশ করলেন না ভক্তদের। বরং হাসি মুখে অপেক্ষারত অনুরাগীদের সঙ্গে নিজস্বী তুললেন এবং হাতও মেলালেন সাহেব ও সুস্মিতা।
আরও পড়ুন:
এমন বিরাট করে আয়োজন এবং থিম পুজোর মিশেল সচরাচর দেখা মেলা না গণেশ পুজোয়। সাহেব বলেন, “ক্লাবের নামটাই খুব সুন্দর। ‘আমরা’র গণপতি উৎসব। নামটাই বলে দিচ্ছে যে পাড়ার সকলকে নিয়েই এই গণপতি উদ্যাপন। পাড়ার মা-দিদিমারা বসে আছেন। দাদারা সব আয়োজন সামলাচ্ছেন। এগুলিই তো ছোটবেলায় ফিরিয়ে নিয়ে যায়।”
কথা, এভির কাছে উৎসব তো শুরু হয়েই গিয়েছে প্রায়। এ দিন খড়দহবাসীর কাছেও উৎসবের আমেজটা যেন আরও দ্বিগুণ হয়ে উঠেছিল প্রিয় তারকা জুটির সঙ্গে। ( এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ। )