মনের সকল ইচ্ছা পূরণ করতে, মা দুর্গার চরণে অর্পণ করুন এই ছ’টি ফুল
বাঙালি দীর্ঘ এক বছর অপেক্ষা করে থাকে মায়ের আগমনের। এক বছর পর অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে মা আসেন তার সন্তানদের কাছে। মায়ের আগমনের সঙ্গে ভরে যায় আকাশ বাতাস। ডাকের আগমনী বাজনায় মুখরিত হয়ে ওঠে আট থেকে আশি। অশুভ যে কোনও শক্তির বিনাশকারী রূপে মা আবির্ভুতা হন। মা মর্তে আসেন তার সন্তানদের মনোবাঞ্ছা পূর্ণ করতে।
বাঙালি দীর্ঘ এক বছর অপেক্ষা করে থাকে মায়ের আগমনের। এক বছর পর অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে মা আসেন তার সন্তানদের কাছে। মায়ের আগমনের সঙ্গে ভরে যায় আকাশ বাতাস। ডাকের আগমনী বাজনায় মুখরিত হয়ে ওঠে আট থেকে আশি। অশুভ যে কোনও শক্তির বিনাশকারী রূপে মা আবির্ভুতা হন। মা মর্তে আসেন তার সন্তানদের মনোবাঞ্ছা পূর্ণ করতে।
অনেকেই আছেন যাদের শত চেষ্টা সত্ত্বেও মনের ইচ্ছা পূরণ হচ্ছে না। অনেক দিন মনের ইচ্ছা সুপ্ত অবস্থায় রয়েছে। নানা প্রক্রিয়া অবলম্বন করেও সব ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। দুর্গাপুজোয়, দেবীর চরণে কয়েকটি ফুল অর্পণের মাধ্যমে মনের ইচ্ছা পূরণ করা যেতে পারে সহজেই। এই ফুলগুলো দিয়ে মায়ের আরাধনা করলে মনোবাঞ্ছা পূরণ হবেই। ফুলগুলি কী কী? দেখে নেওয়া যাক।
পদ্ম: নবমীর দিন ১০৮টি পদ্ম ফুল অর্পণ করুন মায়ের চরণে। এর মাধ্যমে নিজের অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছনো যাবে খুব সহজেই।
শিউলি: শরতকাল মানেই শিউলি ফুল। মায়ের পুজোয় শিউলি ফুল অপরিহার্য। শিউলি ফুল মায়ের চরণে অর্পণ করলে মা সন্তানদের সকল মনোবাঞ্ছা পূরণ করেন।
জবা: মনের ইচ্ছা পূরণ করার জন্য মায়ের পুজোয় জবা ফুল অর্পণ করুন। জবা ফুলে মা কালী সন্তুষ্ট হন। মা দুর্গার আরেক রূপ মা কালী। ১০৮টি সম্ভব না হলে যে ক’টি সম্ভব দেওয়া যেতে পারে।
আরও পড়ুন:
গাঁদা: গাঁদা ফুল দিয়ে মায়ের অঞ্জলি দিলে অসম্পূর্ণ যে কোনও কাজই খুব সহজেই সফল হয়ে যাবে।
ডালিয়া: মনস্কামনা পূর্ণ করতে ডালিয়া ফুল অপরিহার্য। মায়ের পুজোয় বিশেষ পদ্ধতিতে ব্যবহার করা হয় ডালিয়া ফুল।
জুঁই: জুঁই ফুল যদি মায়ের চরণে অর্পণ করা হয়, তা হলে মা তার ওপর খুব খুব সন্তুষ্ট হন এবং খুব তাড়াতাড়ি মনের ইচ্ছা পূরণ হয়।