CO-POWERED BY
Back to
Advertisment

উৎসবের গ্যালারি

মুখোমুখি অর্কজা, ইধিকা, জোর টক্কর দুই ধারাবাহিকের নায়িকার

নিজস্ব সংবাদদাতা
কলকাতা ১১ অক্টোবর ২০২১ ১৬:৩৫
দুই নারী, হাতে তরবারি’— এসে দাঁড়ালেন আনন্দবাজার অনলাইনের সামনে। তাঁদের হরেক অভিব্যক্তিতে আরও রঙিন হয়ে উঠল পুজোর সাজ। কখনও রৌদ্র, কখনও বা শৃঙ্গার রসের ছটা লেগেছে তাঁদের গায়ে। অর্কজা আচার্য এবং ইধিকা পাল। ধারাবাহিকের দুই নায়িকা একে অন্যকে যেন টেক্কা দিতে চাইলেন। পরোয়া করলেন না রোদ, বৃষ্টি, ঝড়, জলকেও।

গল্ফ গ্রিনের ক্যাফে ট্র্যাভেলিস্তানে জড়ো হয়েছিলেন দুই নায়িকা। সেখানে উপস্থিত ছিলেন রূপটান শিল্পী চয়ন। কেশসজ্জার ভারও ছিল তার ওপর। পোশাকের ভাণ্ডার নিয়ে তৈরি ছিলেন দেবু (দেবাশিস)। তা ছাড়া আরও দু’টি শাড়ি এসেছিল সংঘমিত্রার বুটিক থেকে। তাঁদের সাজানোর দায়িত্বে ছিলেন বুকুন।
Advertisement
চা আর কফি খেয়ে কাজ শুরু জোর কদমে। মাঝ রাস্তায় গাড়ি থামিয়ে ছবি তুলতে তুলতে হঠাৎই বৃষ্টি শুরু! কিন্তু তাতে দমে গেলেন না অর্কজা। বৃষ্টি মাথায় একের পর এক ছবি তুললেন তিনি। কখনও শাড়ির আঁচল উড়িয়ে, কখনও বা গলায় পেঁচিয়ে।

এ বার ‘নিরুপমা’ থেকে সংযুক্তা হওয়ার পালা। শাড়ি ছেড়ে স্কার্ট আর ট্যাঙ্ক টপ পরে ফুটপাথে উঠলেন ২৬ বছরের নায়িকা। কাদা ভরা রাস্তা দিয়ে হেঁটে, ভাঙা ট্যাক্সির ওপর ভর করে ছবি তুললে তিনি।
Advertisement
দুপুরে স্ট্রোগোনফ এবং স্প্যাগেটি খেয়ে পেটপুজো সম্পন্ন হল। তার পর ডাবের জল, চা আর কফির মধ্যে শক্তি সঞ্চয় করে আবার কাজ শুরু। ইধিকা নামলেন মাঠে। ‘কপালকুণ্ডলা’ বা ‘রিমলি’-র এমন রূপ সচরাচর চোখে পড়ে না। আজ তিনি নতুন চরিত্রে। মহাষষ্টীতে দেবী দুর্গার আর এক রূপ যেন।

শাড়ির ছবি তোলা শেষ হতেই নীল রঙের পোশাক গায়ে তুললেন ইধিকা। উঠে পড়লেন ভাঙা বাসে। দেবাশিস তাঁকে সাপের ভয় দেখালেও থেমে গেলেন না ২৩ বছরের কন্যে।

একক ছবির পালা মিটতেই ইধিকার সঙ্গ নিলেন অর্কজা। পায়ে সরু সরু হিল পরেই ভাঙাচোড়া বাসের ভিতর দাঁড়ালেন দু’জনে। নড়বড়ে বাস মাঝে মধ্যেই তাঁদের সাবধান করে দিচ্ছিল বটে। কিন্তু কাজে ইতি পড়ল না।

 এ সবের মাঝেও রিল ভিডিয়োর কথা ভোলেননি কেউ। কয়েক মুহূর্তের বিরতি মিললেও দুই নায়িকা বিভিন্ন কায়দায় নিজেদের মেলে ধরছিলেন ভিডিয়োয়। ইনস্টাগ্রামের ঝুলি ভরাট করার জন্য বেশ তৎপর তাঁরা।

বুকুনের কথায়, ‘‘দু’জনের চেহারায় অনেক অমিল, আবার অনেক মিল। দু’জনকে আলাদা ভাবে সাজিয়ে তাই একই ফ্রেমে ধরা হয়েছে।’’

ছবি: নীল। সাজ: বুকুন। পোশাক: সংঘমিত্রা এবং দেবুজ (দেবাশিস)। রূপটান এবং কেশসজ্জা: চয়ন রায়। স্থান: ট্র্যাভেলিস্তান ক্যাফে। গয়না: রঙ্গিলী। পরিকল্পনা: তিস্তা রায় বর্মণ।