CO-POWERED BY
Back to
Advertisment

উৎসবের গ্যালারি

Parno Mitra: সাবেক সাজে মন মাতালেন পার্নো

নিজস্ব সংবাদদাতা
কলকাতা ১০ অক্টোবর ২০২১ ২১:২৮
প্রথম দেখা গিয়েছিল ‘খেলা’ ধারাবাহিকে। তার পর ‘মোহনা’-এ। তার পর আর ফিরে তাকাতে হয়নি। বড় পর্দাও কাঁপিয়েছেন সমান দক্ষতায়। এখন আবার নাম জুড়েছে রাজনীতিতেও। নায়িকার হাতে আর সময় কই? তবু তারই মধ্যে আনন্দবাজার অনলাইনের পুজো শ্যুটে হাজির পার্নো মিত্র।

অঙ্গে কালো রঙের উপরে নকশা করা বড় ঘের দেওয়া লেহঙ্গা। তাতে সুতোর সূক্ষ্ম কাজ। চোলির পাড় বরাবরও সুতির কাজ খেলে গিয়েছে। আগুন-রঙা চুলে আগুন ছড়াচ্ছেন কন্যা।
Advertisement
সিঁথির মাঝ বরাবর ভারী টিকলি, হাতে ও কানে পাথর বসানো ভারী গয়না। হাল্কা রূপটানেও অভিনেত্রীর ত্বকের জেল্লায় ভাটা পড়েনি এতটুকু। খালি গলাতেও পার্নোর সাজ জমজমাট!

অঙ্গে উঠেছে সোনালি রঙ। লম্বা বেণী করা চুল নেমে আসছে। তার সঙ্গে ভারী গয়নায় হাস্যময়ী পার্নো।
Advertisement
এমন রূপে-সাজে কে না মুগ্ধ হবে? পুজোতেও নিশ্চয়ই হয়েছে জমাটি প্রেম! কিন্তু জল্পনা উড়িয়ে সুন্দরী বললেন, ‘‘আমার পুজোয় কোনও দিন কোনও প্রেম হয়নি।’’ এর পরে এল আরও অবিশ্বাস্য বক্তব্য— ‘‘আমার কোনও সময়ে কোনও প্রেম হয়নি।’’

পুজোয় প্রেমের কোনও স্মৃতিই নেই তবে? পার্নোর উত্তর, ‘‘আমি শুধু অন্য লোকের প্রেম হতে দেখেছি।’’ তার পর ঠাট্টা করে বললেন, ‘‘তাতে আমি নিজে যে কতটা বিরক্ত হয়েছি সে ব্যাপারে কোনও ধারণা নেই কারও।’’

পরনে চিরন্তনী শাড়ি। তাতেও আধুনিকতার স্পর্শ। পুজোর ক’দিন সাবেক সাজই পছন্দ ‘রঞ্জনা আমি আর আসব না’-র রঞ্জনার।

এই চার দিন টানা শাড়ি পরার সুযোগ পান কন্যা, তাই সেই সুযোগ হাত ছাড়া করতে বিন্দুমাত্র রাজি নন তিনি। জানালেন, মায়ের শাড়িগুলিই নতুন ব্লাউজ বানিয়ে পরবেন।

আর ঘোরাঘুরি? প্রতিমা দর্শনের প্রশ্ন উঠতেই পার্নো মনে করিয়ে দিলেন যে অতিমারি এখনও শেষ হয়নি। তাই পাড়াতেই ঠাকুর-দেখা।

চেনা পোশাকেও নতুনত্বের স্বাদ আনেন পার্নো। লাল রঙের লেহঙ্গার সঙ্গে আধুনিক চোলি হোক বা ভারী কাজ করা ব্লাউজের সঙ্গে এক রঙা সোনালি লেহঙ্গা— সবেরই রূপ ফুটিয়ে তুলল পার্নোর ব্যক্তিত্ব।

পোশাকের ধার বরাবর সোনালি সুতোর কাজ। গলাতেও ভারী গয়নায় সূক্ষ্ম কাজ। আভিজাত্য ছড়িয়ে পড়ছে চারদিকে। চারটিই সাবেক সাজ, তবু তাতেই মাতিয়ে দিলেন রঞ্জনা।

গয়না: দ্বিতি ভুওয়ালকার প্রিটিওস। সাজ: নেহা গাঁধী বিঞ্জরাজকা। ছবি: সোমনাথ রায়। রূপটান: সায়ন্ত ঢালি। ভাবনা ও পরিবেশনা: পৃথা বিশ্বাস।