POWERED BY
CO-POWERED BY
Back to
Advertisment

উৎসবের গ্যালারি

Laxmi Puja 2021: তাঁরা যাতে হাত দেন, তাতেই সোনা ফলে! টলিউডের ‘লক্ষ্মী’দের চেনাল আনন্দবাজার অনলাইন

নিজস্ব সংবাদদাতা
কলকাতা ১৯ অক্টোবর ২০২১ ২১:৫১
বাণিজ্যে বসতে লক্ষ্মী। নারীকেন্দ্রিক হোক বা পুরুষকেন্দ্রিক, মূল ধারা হোক বা অন্য ধারা— টলিপাড়ার কন্যেদের সাফল্যে বিরতি নেই! তাঁদের মধ্যে আট জন ‘লক্ষ্মী’কে বেছে নিল আনন্দবাজার অনলাইন।

শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়- ২০০৮ সালে প্রথম বাংলা ছবি ‘পিতৃভূমি’। জিতের বোনের চরিত্রে অভিনয় দিয়ে শুরু। এক বছর পর ‘চ্যালেঞ্জ’ ছবি দিয়ে জয়যাত্রা শুরু শুভশ্রীর। এর পর ‘পরাণ যায় জ্বলিয়া রে’, ‘বস’, ‘রোমিও’— আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাঁকে।
Advertisement
২০১৯ সালে স্বামী রাজ চক্রবর্তীর পরিচালনায় ‘পরিণীতা’ ছবিতে ‘মেহুল’ হয়ে বক্স অফিস মাতিয়েছিলেন তিনি। সেই ছবির রেশ এখনও দর্শক-মনে সতেজ।

মিমি চক্রবর্তী- অভিনয় শুরু ‘গানের ওপারে’ ধারাবাহিকে ‘পুপে’ হয়ে। ২০১২ সালে প্রথম ছবি্র মুক্তি। মূল ধারার ছবিতে পা দিলেন সে বছরই— ‘বোঝে না সে বোঝে না’। ‘প্রলয়’, ‘যোদ্ধা’, ‘কী করে তোকে বলব’, ‘পোস্ত’, ‘ধনঞ্জয়’— বক্স অফিসে সাফল্যের মুখ বহু বার দেখেছেন তিনি।
Advertisement
পুজোয় জিতের সঙ্গে তাঁর নতুন ছবি ‘বাজি’। অতিমারি প্রভাবিত বক্স অফিস নড়ে চড়ে বসেছে টলিউডের এই লক্ষ্মীর দৌলতে।

ইশা সাহা- ২০১৬ সালে ‘ঝাঁঝ লবঙ্গ ফুল’ ধারাবাহিকে অভিনয়ের হাতেখড়ি। ২০১৭ সালে ছোট পর্দার লবঙ্গ থেকে বড় পর্দার বিস্কুটে যাত্রা। ‘প্রজাপতি বিস্কুট’, ‘গুপ্তধনের সন্ধানে’, ‘সোয়েটার’, ‘দুর্গেশগড়ের গুপ্তধন’— প্রথম ছবির দু’বছরের মধ্যেই ইশার ঝুলিতে জমা হতে থাকে একের পর এক সফল ছবির নাম।

প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় থেকে দেব, বিভিন্ন সফল অভিনেতার সঙ্গে অভিনয় করে ফেলেছেন ইতিমধ্যেই। শেষ ছবি ‘গোলন্দাজ’-এর দৌলতে ফের বক্স অফিসের ভাঁড়ার ভরে গিয়েছে তাঁর।

কোয়েল মল্লিক- ২০০৩ সালে ‘নাটের গুরু’ দিয়ে শুরু। এর পর ‘বন্ধন’, ‘শুভদৃষ্টি’, ‘সাত পাকে বাঁধা’, ‘প্রেমের কাহিনি’, ‘মন মানে না’ দিয়ে দর্শকের মন মাতিয়েছেন কোয়েল। স্বামী নিসপাল সিংহ রানের প্রযোজনা সংস্থা সুরিন্দরের ছাতার তলায় ‘বেশ করেছি প্রেম করছি’, ‘হাইওয়ে’, ‘রংবাজ’-এর মতো একাধিক ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি।

শেষতম ছবি ‘বনি’। মূলধারার ছবির পাশাপাশি অন্য ধরনের ছবিতেও অভিনয় করেছেন তিনি। ‘রক্ত রহস্য’, ‘হাইওয়ে’, ‘হেমলক সোসাইটি’, ‘মিতিন মাসি’-তে প্রশংসা কুড়িয়েছেন কোয়েল। এই একই ধারায় নতুন সংযোজন এই পুজোয় ‘বনি’। তাতেও বাণিজ্যের দুয়ার পেরিয়েছেন এই লক্ষ্মী।

সোহিনী সরকার: ‘ওগো বধূ সুন্দরী’ ধারাবাহিকে পার্শ্বচরিত্রে অভিনয় করেও নজর কেড়েছিলেন। বড় পর্দায় হাতেখড়ি ‘রূপকথা নয়’ ছবিতে। এর পর ‘ফড়িং’, ‘রাজকাহিনী’, ‘ব্যোমকেশ পর্ব’, ‘দুর্গা সহায়’।

‘অন্য ধারার’ নায়িকা হিসেবে পরিচিত সোহিনী বক্স অফিসে নিজের নাম উজ্জ্বল করেছেন একাধিক বার। ওয়েব সিরিজে অভিনয় তাঁর। শেষ ছবি ‘এই আমি রেণু’ তেমন ব্যবসা করেনি। কিন্তু তার আগে পর্যন্ত প্রায় সব ছবিই সাফল্যের মুখ দেখেছে।

রাফিয়াত রাশিদ মিথিলা: শুধু অভিনেত্রী নন। গায়িকা এবং শিক্ষিকাও বটে। মঞ্চেও ছাপ রয়েছে তাঁর। মিথিলার লক্ষ্মী-ভাবের প্রভা সব দিকেই। ওয়েব সিরিজে হাতেখড়ি হয়েছে মিথিলার।

কাঁটাতার পেরিয়ে পশ্চিমবঙ্গে এসেও অভিনয় জগতের সঙ্গে পরিচিতি ঘটেছে তাঁর। ইতিমধ্যে পরিচালক রাজর্ষি দে-র ‘মায়া’ ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি। স্বামী সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে একটি গানের ভিডিয়োতেও দেখা গিয়েছে তাঁকে।

রাইমা সেন: আরব সাগরের তীর থেকে ভাগীরথীকূলের বাংলা— সব ক্ষেত্রেই তাঁর অবাধ বিচরণ। ‘চোখের বালি’, ‘নীল নির্জনে’, ‘অন্তরমহল’, ‘নৌকাডুবি’, ‘বাইশে শ্রাবণ’- এর মতো বাংলা ছবি বক্স অফিস মাতিয়েছে।

‘পরিণীতা’, ‘হানিমুন ট্রাভেলস প্রাইভেট লিমিটেড’— হিন্দি ছবির দুনিয়ায়ও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা গিয়েছে তাঁকে। শেষ ছবি ‘দ্বিতীয় পুরুষ’ বাণিজ্যসফল।

পাওলি দাম: ছোট পর্দায় বিভিন্ন টেলিফিল্ম এবং ধারাবাহিক দিয়ে অভিনয় শুরু। একাধিক ধারাবাহিকে কাজ করেছেন তিনি। ‘তিন ইয়ারি কথা’ দিয়ে বড় পর্দায় অভিনয় শুরু।

‘মনের মানুষ’, ‘এলার চার অধ্যায়’, ‘ক্ষত’, ‘জুলফিকার’, ‘কন্ঠ’-এর মতো ছবি তাঁর ঝুলিতে। শেষ ছবি ‘লাভ আজ কাল পরশু’ বক্স অফিসে মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে।