স্বাধীনতার সময় বদলাতে হয় পুজোর স্থান! কলুতলার বদন চাঁদ রায় বাড়ির পুজোর সঙ্গে জড়িয়ে কোন ইতিহাস?
কলকাতার বুকে অন্যতম প্রখ্যাত বনেদি বাড়ি হল কলুতলার বদন চাঁদ রায় বাড়ি। এই বাড়ির পুজো এই বছর ১৬৭ বছরে পা দেবে।
থিম পুজোর রমরমা যতই বাড়ুক, বনেদি বাড়ির পুজো, তার সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ইতিহাস, গল্প আজও সমান ভাবে বহু মানুষকে আকর্ষিত করে। এই বাড়িগুলির পুজো দেখতে প্রতি বছর বহু মানুষ ভিড় জমান। কলকাতার বুকে অন্যতম প্রখ্যাত বনেদি বাড়ি হল কলুতলার বদন চাঁদ রায় বাড়ি। এই বাড়ির পুজো এই বছর ১৬৭ বছরে পা দেবে।
জনশ্রুতি অনুযায়ী ১৯৮৫৭-৫৮ সালে এই বাড়িটি তৈরি হয়। ১৮৫৮ সালে শুরু হয় বদন চাঁদ রায় বাড়ির এই পুজো।
ফলে হিসেব করলে দেখা যাচ্ছে কলকাতার এই বনেদি বাড়ির পুজোর বয়স ১৬৭ বছরের।
এই বাড়ির প্রতিমার সমস্ত গয়না সোনার এবং অস্ত্র রুপোর থাকে।
দেশ স্বাধীন হওয়ার সময় কিছু কারণে এই বাড়ির পুজো জোড়াসাঁকোর অনন্ত রায় বাড়িতে স্থানান্তরিত হয়।
আরও পড়ুন:
বদন চাঁদ রায় যেমন বাঙালি ছাঁচে দেবী প্রতিমা গড়েছিলেন, আজও সেই একই ছাঁচের মূর্তিতেই দেবীর পুজো করা হয় এই বাড়িতে।
এই বাড়ির ঠাকুর দালানেই তৈরি হয় দেবী প্রতিমা।
বদন চাঁদ রায়ের পরিবার বৈষ্ণব। তাই এখানে পুজোয় কোনও পশু বলি হয় না। বরং ফল উৎসর্গ করা হয়।
দশমীর দিন সমস্ত রীতি, নিয়ম পালন করার পর বাড়ির ছেলেরা কাঁধে করে প্রতিমাকে নিরঞ্জনের জন্য নিয়ে যান।
আরও পড়ুন:
রাতের বেলা এই বাড়ির আলোকসজ্জা মুগ্ধ করে দর্শনার্থীদের।
এই বার পুজোয় উত্তর কলকাতায় ঠাকুর দেখতে গেলে এই বাড়ির পুজো দেখতে আসতে পারেন। সাক্ষী থাকতে পারেন ইতিহাসের। ( এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ)।