Ranojoy Bishnu

দু’মাসেই টিআরপি-তে ‘প্রতিজ্ঞা’র ছক্কা, রাজনৈতিক ডামাডোল কি প্রভাব ফেলেছে রাজের প্রযোজনায়? কী বললেন রণজয়?

যেমন কথা তেমন কাজ। সেই মতো ফল পাওয়া গেল হাতে নাতে। কয়েক মাস কাটতে না কাটতে টিআরপি তালিকায় প্রথম সারিতে জায়গা করে নিয়েছে এই ধারাবাহিক। চলতি সপ্তাহে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ‘প্রতিজ্ঞা’।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬ ১২:১৯
(বাঁ দিকে) রাজ চক্রবর্তী এবং রণজয় বিষ্ণু (ডান দিকে)।

(বাঁ দিকে) রাজ চক্রবর্তী এবং রণজয় বিষ্ণু (ডান দিকে)। ছবি: সংগৃহীত।

মাত্র কয়েক মাস হল শুরু হয়েছে ‘প্রতিজ্ঞা’ ধারাবাহিকটি। এই কাহিনির মাধ্যমে প্রকাশ্যে এসেছে নতুন জুটি রণজয় বিষ্ণু এবং অভীকা মালাকার। ধারাবাহিক ঘোষণার আগে অনেকেরই মনে হয়েছিল হয়তো কোনও হিন্দি কাহিনির বাংলা সংস্করণ হতে চলেছে এটি। কিন্তু প্রযোজক রাজ চক্রবর্তী জানিয়েছিলেন আদ্যোপান্ত প্রেমের গল্প দেখবে দর্শক। নায়ক-নায়িকা থেকে পরিচালক আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে জানিয়েছিলেন এই গল্প দর্শকের ভাল লাগবে।

Advertisement

যেমন কথা তেমন কাজ। সেই মতো ফল পাওয়া গেল হাতেনাতে। কয়েক মাস কাটতে না কাটতে টিআরপি তালিকায় প্রথম সারিতে জায়গা করে নিয়েছে এই ধারাবাহিক। চলতি সপ্তাহে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে এই কাহিনি। যেখানে টিআরপি প্রতিযোগিতায় টিকতে না পারলেই কোপ পড়ে সম্প্রচারে, সেখানেই প্রেমের কাহিনি দিয়েছে ছক্কা। নায়ক রণজয় বললেন, “আমাদের কাহিনিতে একটা সারল্য আছে। প্রেম আছে, খুনসুটি আছে। তরতাজা গন্ধ রয়েছে। বিশেষ করে কোনও কুচুটেমি নেই! যে খলচরিত্র দেখানো হচ্ছে, সেই চরিত্রের মধ্যেও রয়েছে সারল্য। তাই হয়তো দর্শকের ভাল লাগছে।”

এই ধারাবাহিকের শুরুর সময়টা ছিল অন্যরকম। এখন পরিস্থিতি অনেকটাই আলাদা। রাজ্যে পালাবদলের পরে নানা ধরনের প্রতিকূল পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়েছে প্রযোজক রাজকেও। তার প্রভাব কি পড়েছে ধারাবাহিকের প্রোডাকশনে? রণজয় বললেন, “রাজদা রাজনীতিকের আগেও একজন শিল্পী। প্রেমের গল্প বলার রাজা তিনি। রাজদার রাজনৈতিক জীবন কখনও আমাদের কাজে প্রভাব ফেলেনি। কখনও কোনও সমস্যা তৈরি হয়নি। কখনও দেখিনি যে, রাজদার রাজনীতিক সত্তার প্রভাব আমাদের কাজের উপর পড়েছে। বরং সপ্তাহের দু-তিন দিন রাজদা আমাদের ফ্লোরে আসেন। তিনি এলেই না একটা ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি হয়। এটাও একটা বড় প্রাপ্য। শুধু তা-ই নয়, আমার মনে হয় এই ইতিবাচকতা কাজকে আরও সুন্দর করে। আমাদের মধ্যেও কাজ করার ইচ্ছা তৈরি হয়।”

এমনিই টেলিপাড়ায় গত কয়েক বছরে নতুন ধারা তৈরি হয়েছে। এই নতুন কাহিনি তৈরি হয়, সেটা হয়তো তিন মাসের মধ্যেই শেষ হয়ে যায়। বেশিরভাগ সময় টিআরপি-র ওঠাপড়ার জন্যই কোনও কাহিনি শেষ করে দেওয়া হয় তিন মাসে। আবার কোনও কাহিনি বন্ধ হয়ে যায় আট মাস চলার পরে। কিন্তু ‘প্রতিজ্ঞা’ যেন ব্যতিক্রমী ছবি। সম্ভবত দু-তিন মাস হল শুরু হয়েছে এই ধারাবাহিক। তার মধ্যেই প্রতিযোগিতায় এগিয়ে। এই সাফল্যে খুশি ধারাবাহিকের নায়ক।

Advertisement
আরও পড়ুন