Astrology by Date of birth

স্ত্রী কি আপনার উপর ‘ছড়ি ঘোরাবেন’? জন্মতারিখ অনুযায়ী জেনে নিন পত্নীভাগ্যে জীবনে উন্নতির পথ প্রশস্ত হবে কি না

কোনও পুরুষের স্ত্রী জন্মগত ভাবেই কর্তৃত্বপরায়ণ হবেন কি না, সে বিষয়েও আলোচনা রয়েছে জ্যোতিষশাস্ত্রে। নির্দিষ্ট কয়েকটি তারিখে জন্মানো পুরুষেরা এই বিশেষ গুণের অধিকারী নারীকে পত্নী হিসাবে লাভ করে থাকেন।

Advertisement
বাক্‌সিদ্ধা গার্গী
শেষ আপডেট: ১৭ এপ্রিল ২০২৬ ১৫:২৮

ছবি: সংগৃহীত।

হিন্দুরা বিশ্বাস করে থাকেন যে, বিয়ে জন্মজন্মান্তরের বন্ধন। এই জন্মে অগ্নিসাক্ষী করে যাঁর সঙ্গে সাত পাকে বাঁধা পড়লেন, সে গাঁটছড়া সহজে খুলবে না। এই কারণে, সব পুরুষই মনের মতো জীবনসঙ্গীর আকাঙ্ক্ষা করে থাকেন। স্ত্রী তাঁকে বুঝবেন, সুখ-দুঃখে পাশে থাকবেন এ বাসনা থাকে সকলেরই। জ্যোতিষমতে, আপনার জন্মতারিখ অনুযায়ী জানা যেতে পারে কেমন হবে আপনার স্ত্রী। নির্দিষ্ট কয়েকটি জন্মতারিখ রয়েছে, যেগুলির জাতকের স্ত্রীরা কর্তৃত্বপরায়ণ হন তো বটেই, এ ছাড়াও নানা বিশেষ গুণের অধিকারী হন। ১, ৪, ৮, ৯, ১০, ১৩, ১৪, ১৭, ১৮, ১৯, ২১, ২২, ২৩, ২৬, ২৭, ২৮, ৩১— এই ১৭টি তারিখে জন্মানো জাতকের পত্নীরা ঈশ্বরের আশীর্বাদপ্রাপ্ত হয়ে থাকেন। এ ভাবেই তাঁর স্বামীর জীবন হয়ে ওঠে মঙ্গলময়।

Advertisement

এই নারীদের স্বভাব কেমন হয়ে থাকে জেনে নিন—

  • নেত্রীসুলভ মানসিকতা: এই গুণটির জন্য এই নারীদের স্বামীরা বিশেষ সৌভাগ্যের অধিকারী হয়ে থাকেন। ব্যক্তিজীবনে বা কর্মক্ষেত্রে কী পদক্ষেপ গ্রহণ করলে তাতে ভাল ফল পাওয়া যাবে, এই বিষয়ে সুপরামর্শ দিয়ে থাকেন এঁরা।
  • রক্ষক প্রকৃতির: বিপদে-আপদে সব সময় এঁদের পাশে পাওয়া যায়। ভালবাসার মানুষের যে কোনও সঙ্কটে তাঁর চারপাশে যেন এক নিরাপত্তাবলয় তৈরি করে দেন এই নারীরা।
  • আত্মবিশ্বাসী: এই নারীদের নিজের প্রতি পূর্ণ আস্থা থাকে। কঠিন সময়েও হীনম্মন্যতা এঁদের গ্রাস করতে পারে না। এই বিষয়টি প্রতিফলিত হয় তাঁর জীবনসঙ্গীর ক্ষেত্রেও।
  • উচ্চাভিলাষী: কর্মক্ষেত্রে উন্নতির জন্য মুখিয়ে থাকেন এই নারীরা। তবে, কখনওই কোনও অসৎ উপায় অবলম্বন করেন না। তাঁর এই স্বভাবের ফলে উপকৃত হন তাঁosর স্বামীরাও।
  • সুশৃঙ্খল: কর্মজীবনে তো বটেই, ব্যক্তিজীবনেও এঁরা সব সময় নিয়ম মেনে চলেন। নিজেও কোনও কাজ ফেলে রাখেন না, জীবনসঙ্গীকেও এ ব্যাপারে উৎসাহিত করে থাকেন।
  • স্পষ্টভাষী: এই নারীদের মনে ঠিক-ভুলের বিষয়ে খুব স্পষ্ট ধারণা থাকে। কোনও বিষয়ে নিজের মতামত জানাতে এঁরা কখনও দ্বিধাবোধ করেন না। এর ফলে তাঁদের স্বামীরাও নানা অপ্রীতিকর অবস্থা থেকে রক্ষা পান।
  • পরিশ্রমী: আলস্য কী জিনিস, তা এই নারীরা জানেন না। এঁদের এই উদ্যমের কারণে সংসারের কোনও বিষয়ই পড়ে থাকে না। উন্নতি হয় দম্পতির জীবনে।

জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে, উপরে উল্লেখিত তারিখে জন্মগ্রহণকারী পুরুষেরা সূর্য, শনি বা মঙ্গলের স্পন্দন বহন করেন। এই কারণেই তিনি এমন নানা গুণে গুণান্বিতা স্ত্রীর প্রতি আকর্ষিত হন। যে নারী জীবনে আসার পরে তাঁর সুপরামর্শে পুরুষের জীবন স্থিতিশীল হয়, মানসিক শক্তি বৃদ্ধি পায়, সৌভাগ্য আসে।

Advertisement
আরও পড়ুন