Astrological Benefits of Nose Piercing

শুধু নাকছাবি পরার জন্যই নয়, জ্যোতিষমতে নাক বিঁধোলে শান্ত থাকে রাহু-কেতু, পরিবারে বজায় থাকে সুখ-শান্তিও

জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে, মহিলাদের বাঁ নাক বিঁধোনো শুভ বলে মনে করা হয়। জ্যোতিষমতে, নাকে সব সময় সোনা বা রুপো ব্যবহার করা শুভ।

Advertisement
বাক্‌সিদ্ধা গার্গী
শেষ আপডেট: ২৩ জুন ২০২৬ ১৪:০০

ছবি: এআই সহায়তায় তৈরি।

জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, নারীদের নাক বিঁধিয়ে নাকছাবি পরার রীতি কেবলমাত্র সৌন্দর্যবর্ধনকারী ফ্যাশন নয়। অনেকে মনে করেন, শুধুমাত্র সাজসজ্জার জন্যই মহিলারা তাঁদের নাক বিঁধিয়ে নেন। কিন্তু জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, নাক বিঁধোনোর ফলে ব্যক্তিজীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আসে বলে মনে করা হয়। এমনকি, রাহু এবং কেতুর অশুভ প্রভাব থেকেও রক্ষা পাওয়া যায়। নীচে নাক বিঁধোনোর উপকারিতা নিয়ে বিস্তারে আলোচনা করা হল—

Advertisement
  • জ্যোতিষশাস্ত্রে নাককে সাধারণত বৃহস্পতি এবং রাহু-কেতুর শক্তির সঙ্গে যুক্ত করা হয়। নাক বিঁধিয়ে সোনা বা হিরের নাকছাবি পরলে রাহুর নেতিবাচক প্রভাব কমে। এটি মনকে শান্ত রাখতে এবং আকস্মিক দুর্ঘটনা বা মানসিক চাপ থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।
  • সোনা বা হিরে সৌন্দর্য এবং ঐশ্বর্যের কারক গ্রহ শুক্রকে প্রতিনিধিত্ব করে। নাক বিঁধোনোর পর এই ধাতুগুলি ধারণ করলে শুক্র গ্রহ বলবান হয়, যা জীবনে সুখ, সমৃদ্ধি এবং আকর্ষণ ক্ষমতা বাড়ায়।
  • জ্যোতিষমতে, বিবাহিত নারীদের নাক বিঁধোনো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একে সৌভাগ্যের প্রতীক মনে করা হয়, যা পরিবারে সুখ-শান্তি বজায় রাখতে সাহায্য করে।
  • জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে, মহিলাদের বাঁ নাক বিঁধোনো শুভ বলে মনে করা হয়।
  • জ্যোতিষমতে, নাকে সব সময় সোনা বা রুপো ব্যবহার করা শুভ। লোহা বা অন্য কোনও কৃত্রিম ধাতু নেতিবাচক শক্তি আকর্ষণ করতে পারে।
  • সাধারণত বুধবার, বৃহস্পতিবার বা শুক্রবার দেখে নাক বিঁধোনো শুভ বলে মনে করা হয়। কারণ, এই দিনগুলি যথাক্রমে বুধ, বৃহস্পতি এবং শুক্র গ্রহের সঙ্গে সম্পর্কিত।
Advertisement
আরও পড়ুন