চলছে বাংলা বছরের শেষ মাস। ২ এপ্রিল ২০২৬, বাংলায় ১৮ চৈত্র
১৪৩২-এ পড়বে চলতি বাংলা বছরের শেষ পূর্ণিমা। সেই কারণে চৈত্র মাসের পূর্ণিমার বিশেষ
গুরুত্ব রয়েছে। এই পূর্ণিমা তিথিতেই পালিত হয় হনুমান জয়ন্তী। চৈত্র মাসের পূর্ণিমা
তিথিতে অনেকে নদীতে স্নান করতে যান। বিশ্বাস, পবিত্র এই তিথিতে নদীতে স্নান করলে
নানা ক্ষেত্রে সুফল লাভ করা যায়। চৈত্রপূর্ণিমার দিন তুলসীগাছে বিশেষ কিছু উপায়
পালন করলে ভাগ্যের সদ্গতি হয়। তবে পূর্ণিমার দিন ভুলেও তুলসীগাছকে আঘাত করা যাবে
না বা তা থেকে পাতা ছেঁড়া যাবে না। এই বিষয়টি মাথায় রেখে উপায়গুলি পালন করতে হবে।
কোন উপায়গুলি মানতে হবে, জেনে নিন।
পূর্ণিমা শুরু ও শেষের সময়:
শুরু- ১ এপ্রিল, সকাল ৭টা ৭ মিনিট।
শেষ- ২ এপ্রিল, সকাল ৭টা ৪২ মিনিট।
চৈত্রপূর্ণিমার টোটকা:
- অর্থ সংক্রান্ত সকল সমস্যা কাটিয়ে উঠতে চৈত্রপূর্ণিমার দিন
সকালে স্নানের পর জলে কাঁচা দুধ মিশিয়ে তুলসীগাছে অর্পণ করুন। খুব সামান্য কাঁচা দুধ
মেশাতে হবে, বেশি মেশালে গাছের ক্ষতি হয়ে যেতে পারে। এই বিষয়টি মাথায় রাখা
জরুরি। সঠিক ভাবে এই উপায়টি পালন করতে পারলে দেবী লক্ষ্মী প্রসন্ন হন। জীবন থেকে
অর্থ সংক্রান্ত সকল সমস্যা বিদায় নেয়।
- বাড়ির লক্ষ্মীশ্রী বজায় রাখতে চৈত্রপূর্ণিমার দিন
সন্ধ্যাবেলা তুলসীগাছের গোড়ায় একটা ঘিয়ের প্রদীপ জ্বালান। তার পর গাছটিকে পাঁচ
অথবা সাত বার প্রদক্ষিণ করুন। সব শেষে মনোবাসনা জানান। এতে ইচ্ছা পূরণ হওয়ার
সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায় এবং ঘরে লক্ষ্মী আসে।
- সম্পর্কের বন্ধন দৃঢ় করতে চৈত্রপূর্ণিমার দিন তুলসীগাছের
কাণ্ডে একটা লাল রঙের সুতো জড়ান। তার পর গাছটিকে একটা লাল রঙের কাপড় দিয়ে ঢেকে
দিন। এর পর সঙ্গীকে ঘিরে মনের মধ্যে থাকা সকল বাসনাগুলি জানান। সম্পর্কে শীঘ্রই
উন্নতি লক্ষ করতে পারবেন।
- যে কোনও কাজে সফলতা প্রাপ্তির উদ্দেশ্যে তুলসীগাছের পুজো
করুন। আপনার মন যা চাইবে, সে ভাবে পুজো করলেই চলবে। বিষ্ণুমন্ত্র পাঠ করে পুজো
সম্পন্ন করুন। সফলতা প্রাপ্তিতে সুবিধা হবে।