India-US Trade Deal

রুবিয়োর সঙ্গে কথা বললেন জয়শঙ্কর, বাণিজ্যচুক্তির পাশাপাশি আলোচনায় কী কী বিষয়? জানালেন বিদেশমন্ত্রী

এর আগে গত অক্টোবরে মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালা লামপুরে আসিয়ানের পার্শ্ববৈঠকে মার্কিন বিদেশসচিব রুবিয়োর সঙ্গে রাশিয়া থেকে তেল আমদানি বিতর্ক এবং ভারত-মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে আলোচনা করেছিলেন বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ ২৩:২১
(বাঁ দিকে) মার্কো রুবিয়ো এবং এস জয়শঙ্কর (ডান দিকে)।

(বাঁ দিকে) মার্কো রুবিয়ো এবং এস জয়শঙ্কর (ডান দিকে)। ফাইল চিত্র।

শুল্কযুদ্ধ এবং বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে টানাপড়েনের মধ্যেই মঙ্গলবার মার্কিন বিদেশসচিব মার্কো রুবিয়োর সঙ্গে টেলিফোনে একপ্রস্থ আলোচনা সারলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। সমাজমাধ্যমে সে কথা জানিয়ে বিদেশমন্ত্রী লিখেছেন, ‘‘আমেরিকার বিদেশসচিব রুবিয়োর সঙ্গে একটি ভালো কথোপকথন হল। বাণিজ্য, বিরল খনিজ, পরমাণু সহযোগিতা, প্রতিরক্ষা এবং বিদ্যুৎক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’’

Advertisement

উল্লিখিত ক্ষেত্রগুলির পাশাপাশি অন্যান্য বিষয় নিয়েও দ্বিপাক্ষিক যোগাযোগ রাখার বিষয়ে আলোচনায় ঐকমত্য হয়েছে বলে জানিয়েছেন জয়শঙ্কর। বিরল খনিজ (ক্রিটিকাল মিনারেলস) নিয়ে চিনের সঙ্গে লড়াইয়ে ইতিমধ্যেই ভারতকে পাশে পেতে সক্রিয় হয়েছে আমেরিকা-সহ পশ্চিমি দুনিয়া। ওয়াশিংটনে জি-৭ গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলি এ সংক্রান্ত আলোচনার জন্য বিশেষ ‘ফিনান্স মিনিস্টার্স মিটিং’-এর আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে ভারতকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সরকার।

চিনের উপর নির্ভরতা কমিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিরল খনিজগুলির সরবরাহ-শৃঙ্খল সুরক্ষিত করা এবং বিকল্প উৎসের সন্ধানে ওয়াশিংটনের ‘পাখির চোখ’ বিরল মৃত্তিকা (রেয়ার আর্থ) ও লিথিয়ামের মতো খনিজগুলি। কারণ, সামরিক সরঞ্জাম, সেমিকন্ডাক্টর এবং পুনর্ব্যবহারযোগ্য শক্তি-প্রযুক্তির জন্য এগুলি অপরিহার্য। গত ৯ অক্টোবর চিন সরকার বিরল খনিজ রফতানিতে কিছু বিধিনিষেধ জারি করার ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। শি জিনপিং সরকারের অভিযোগ, তাদের পণ্য বিভিন্ন দেশ সামরিক খাতে কাজে লাগাচ্ছে। বিশ্ব শান্তির কথা ভেবে তাই তারা বিরল খনিজের রফতানিতে কিছু বিধিনিষেধ আরোপের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বেজিঙের এই নীতির বিরোধিতায় সক্রিয় হয়েছে ট্রাম্প সরকার।

Advertisement
আরও পড়ুন