সলমন আলি আঘা। ছবি: পিটিআই।
ভারত যে ম্যাচে সুপার এইট নিশ্চিত করল, সেই ম্যাচেই নিজেদের উপর চাপ বাড়িয়ে ফেলল পাকিস্তান। ভারতের কাছে হেরে পয়েন্ট তালিকায় তিন নম্বরে নেমে গিয়েছে তারা। ফলে সুপার এইটে ওঠার ক্ষেত্রে চাপ বেড়েছে সলমন আলি আঘাদের। তবে এখনও তাদের নিজেদের হাতেই রয়েছে সুপার এইটে ওঠার সুযোগ।
গ্রুপ এ-র শীর্ষে রয়েছে ভারত। তিন ম্যাচে তিন জয়ের ফলে তাদের পয়েন্ট ৬। ইতিমধ্যেই নক আউটে উঠে গিয়েছে সূর্যকুমার যাদবেরা। পরের ম্যাচের ফলের উপর কিছু নির্ভর করছে না। দ্বিতীয় স্থানে আমেরিকা। চার ম্যাচের মধ্যে দু’টি জিতেছে তারা। হেরেছে দু’টি। ৪ পয়েন্ট আমেরিকার। নেট রানরেট +০.৭৮৭। তিন নম্বরে থাকা পাকিস্তানের পয়েন্ট ৩ ম্যাচে ৪। তারা দু’টি ম্যাচ জিতেছে, একটি হেরেছে। পাকিস্তানের নেট রানরেট -০.৪০৩। চার নম্বরে রয়েছে নেদারল্যান্ডস। তিন ম্যাচে তাদের পয়েন্ট ২। তারা একটি ম্যাচ জিতেছে ও দু’টি হেরেছে। নেদারল্যান্ডসের নেট রানরেট -১.৩৫২। গ্রুপের শেষ রয়েছে নামিবিয়া। তিন ম্যাচে তিনটিই হেরেছে তারা। ইতিমধ্যেই সুপার এইটের লড়াই থেকে বিদায় নিয়েছে তারা।
গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
আমেরিকা তাদের চারটি ম্যাচ খেলে ফেলেছে। বাকিদের একটি করে ম্যাচ বাকি। গ্রুপের শেষ ম্যাচে ভারতের মুখোমুখি নেদারল্যান্ডস। পাকিস্তান খেলবে নামিবিয়ার বিরুদ্ধে। ভারত হারুক বা জিতুক, তাদের কোনও সমস্যা হবে না। কিন্তু পাকিস্তানকে জিততেই হবে। নামিবিয়াকে শেষ ম্যাচে হারালে সরাসরি সুপার এইটে উঠবে তারা।
কিন্তু যদি পাকিস্তান নামিবিয়ার কাছে হেরে যায়, তা হলে তাদের ও আমেরিকার পয়েন্ট সমান হবে। আমেরিকার রানরেট পাকিস্তানের থেকে অনেকটাই বেশি। ফলে পাকিস্তান হারলে তাদের বদলে আমেরিকা উঠবে সুপার এইটে। পাশাপাশি যদি নেদারল্যান্ডস ভারতকে হারাতে পারে, তা হলে তাদেরও পয়েন্ট হবে ৪। সে ক্ষেত্রে তিন দলের পয়েন্ট সমান হবে। তবে নেট রানরেটের বিচারে সে ক্ষেত্রেও আমেরিকার সুপার এইটে ওঠার সম্ভাবনা বেশি।
গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
ফলে সলমন, বাবরদের সামনে একটিই অঙ্ক রয়েছে। বুধবার নামিবিয়াকে হারাতেই হবে তাঁদের। নইলে ২০২৪ সালের পর ২০২৬ সালেও গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হবে পাকিস্তানকে।